
Emami East Bengal FC: আগামী মরসুমে কি ইস্টবেঙ্গলের বিনিয়োগকারী হিসেবে ইমামিকে দেখা যাবে? রবিবার সন্ধেবেলা এ বিষয়ে সংশয় তৈরি হল। এদিন বিকেলেই ইস্টবেঙ্গলের সিনিয়র পুরুষ ফুটবল দলের প্রধান কোচ অস্কার ব্রুজোঁ (Óscar Bruzón) ঘোষণা করেছেন, তিনি ৩১ মে-র পর আর দলের সঙ্গে যুক্ত থাকছেন না। এর কয়েক ঘণ্টা পরেই এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ইমামির পক্ষ থেকে ভারতীয় ফুটবলে অস্থিরতা, ভবিষ্যৎ নিয়ে ধোঁয়াশা, দূরদৃষ্টির অভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হল। ইস্টবেঙ্গলের বিনিয়োগকারী সংস্থার এই বিবৃতি প্রকাশ্যে আসার পর ফুটবল মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে, ইমামি যে পরের মরসুমে থাকবে না, সেই বার্তা পেয়েই হয়তো প্রকাশ্যে দায়িত্ব ছাড়ার কথা ঘোষণা করলেন অস্কার। প্রধান কোচের পর বিনিয়োগকারী সংস্থাও সরে গেলে আগামী মরসুমের দল গঠন নিয়ে সমস্যায় পড়বেন লাল-হলুদ কর্তারা।
ইমামির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘ইন্ডিয়ান সুপার লিগের ভবিষ্যৎ নিয়ে স্পষ্ট ধারণার অভাবের কথা সবারই জানা। আমরা সত্যিই ফুটবলের শুভাকাঙ্খী। কোচ ও খেলোয়াড়দের স্বার্থ আমাদের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের (All-India Football Federation) কাছ থেকে ক্যালেন্ডার না পেলে আমাদের পক্ষে কোনও প্রতিশ্রুতি দেওয়া সম্ভব নয়। ফুটবলাররা নিজেদের কেরিয়ারের স্বার্থে অন্য কোথাও সুযোগ খুঁজে নিতেই পারেন। তাঁদের সেই অধিকার আছে।’
ইমামির পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, ‘আমরা এখন চ্যাম্পিয়নশিপ নিয়ে ভাবছি। সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের ক্যালেন্ডার প্রকাশ করা হলে আমরা দল গঠনের পরবর্তী কাজ শুরু করব। পারফরম্যান্স নিয়ে আলোচনা করে ক্লাবের স্বার্থে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’ ইমামির এই বার্তায় স্পষ্ট, এখনই পরবর্তী মরসুমের দল গঠনের কাজ শুরু হচ্ছে না। ফলে ভারতীয় ফুটবলাররা সমস্যায় পড়তে চলেছেন। বিদেশি ফুটবলাররা নতুন দল খুঁজে নিতে পারবেন। কিন্তু ভারতীয় ফুটবলাররা অন্য দলে সুযোগ পেলেও, হয়তো কম পারিশ্রমিকে খেলতে বাধ্য হবেন।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।