
FIFA World Cup 2026: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিদেশনীতির প্রভাব পড়ছে ফুটবল বিশ্বকাপে (fifa world cup 2026)। গোটা বিশ্বের কূটনৈতিক পরিস্থিতির আঁচ এসে পড়ছে এবার বিশ্বকাপ ফুটবলের উপর (fifa world cup)।
বিশেষ করে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একাধিক অতর্কিত সিদ্ধান্তের জেরে রীতিমতো আশঙ্কিত ফুটবলপ্রেমীরা। প্রায় ১৭,০০০ ফুটবলপ্রেমী তাদের ফিফা বিশ্বকাপের জন্য কাটা টিকিটের বুকিং বাতিল করে দিয়েছেন বলে খবর। তারা আশঙ্কা করছেন, ম্যাচ দেখতে আমেরিকায় গেলে বেজায় সমস্যায় পড়তে পারেন।
প্রসঙ্গত, ভেনেজ়ুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে বন্দি করার পর, ট্রাম্পের নজর এখন গ্রিনল্যান্ড এবং ইরানের দিকে। এবার গ্রিনল্যান্ড ইস্যুতে আমেরিকা এবং ডেনমার্কের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞদের অনেকেই। এছাড়াও পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ এবং তাদের নাগরিকদের উপর যেভাবে বিধিনিষেধ আরোপ করতে শুরু করেছে ট্রাম্প প্রশাসন, সেই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে, অনেকেই আমেরিকাকে আর নিরাপদ মনে করছেন না।
তাই বেশ কিছু দেশের ফুটবলপ্রেমী জনতা এবার মুখ ফেরাতে শুরু করেছেন ফুটবল বিশ্বকাপ থেকে। আমেরিকায় রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে তাদের। এমনটাই আশঙ্কা করছেন অনেকে।
সেইসঙ্গে, আমেরিকার অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতিও উদ্বেগ বাড়িয়ে দিচ্ছে অনেকটা। তাই আগে থেকে খেলা দেখার টিকিট বুক করেও অনেকেই তা বাতিল করে দিচ্ছেন। এবার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই জরুরি বৈঠক ডেকেছেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো।
সেই বৈঠকে একদিকে যেমন ফিফার কর্তারা থাকবেন, অন্যদিকে থাকবেন বিশ্বকাপ আয়োজক কমিটির প্রতিনিধিরাও। জানা যাচ্ছে, গত কয়েকদিনেই প্রায় ১৬,৮০০-র বেশি ফুটবলপ্রেমী তাদের বিশ্বকাপের টিকিট বুকিং বাতিল করে দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, কয়েকজন ফুটবলপ্রেমী তো আবার আসন্ন বিশ্বকাপে আমেরিকায় অনুষ্ঠিত ম্যাচগুলি বয়কটেরও ডাক দিয়েছেন।
সোশ্যাল মিডিয়াতে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে সেই বয়কটের প্রচার। সাধারণত, বিক্রি হওয়া টিকিটের টাকা ফেরত না দেয় না ফিফা। এই নিয়ম আগে থেকেই চালু রয়েছে। সেইমতো, প্রথম দুই দফায় বিক্রি হওয়া টিকিট বাতিল সম্ভব নয় কোনওভাবেই।
কিন্তু তৃতীয় দফায় টিকিট কেনার আবেদন ফিরিয়ে নিচ্ছেন অনেক ফুটবলপ্রেমী। পাশাপাশি বেশ কিছু দেশের ফুটবল সংস্থার চাহিদাও অনেকটা কমেছে। আর সেইসঙ্গে, পাল্লা দিয়ে কমতে শুরু করেছে আমেরিকার শহরগুলিতে হোটেলের চাহিদা।
সবথেকে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, মাদুরো কাণ্ডের পর থেকেই হোটেলের ঘর বুকিংয়ের হার অনেকটাই কমেে গেছে।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।