Indian Football: ভারতীয় ফুটবলে বড় পদক্ষেপ। আরও একবছর সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন তথা এআইএফএফ-এর সভাপতি পদে দায়িত্বে থাকছেন কল্যাণ চৌবে (Kalyan Chaube AIFF President)। কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রকের তরফ থেকে দেশের সমস্ত ফুটবল সংস্থাকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, সদ্য পাস হওয়া জাতীয় ক্রীড়া শাসন আইন, অর্থাৎ ন্যাশনাল স্পোর্টস গভর্ন্যান্স অ্যাক্ট অনুযায়ী, মৌলিক পরিবর্তনগুলি বাস্তবায়নের জন্য আরও কিছুটা সময় দেওয়া হবে (Indian Football)।
সেই কারণেই, আগামী ২০২৬ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত, প্রত্যেক সংস্থাকে নির্বাচন স্থগিত রাখার জন্য অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। ফলে, আগামী একবছর নির্বাচন করানোর মতো কোনও বাধ্যবাধকতা ফেডারেশনেরও দিক থেকেও থাকছে না।
কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রক সোমবার, জাতীয় ক্রীড়া সংস্থাগুলিকে যে চিঠি পাঠিয়েছে, সেই নিরিখে দেখতে গেলে, আসন্ন ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এআইএফএফ-এর সভাপতি পদে থাকতে আপাতত কোনও অসুবিধা নেই কল্যাণ চৌবের।
অনেকে বলছেন, এই সিদ্ধান্ত আদতে কল্যাণের জন্যই ভালোই হল। কারণ, ভারতীয় ফুটবলে আইএসএল এবং আই লিগ নিয়ে যে সমস্যা বা জটিলতা তৈরি হয়েছে, তার স্থায়ী সমাধানের জন্যও একবছর সময় পেয়ে গেলেন ফেডারেশন সভাপতি।
এমনিতেও, ফেডারেশনের নির্বাচন চাপও কমে গেল অনেকটাই। সমস্ত কাজ সঠিকভাবে মিটিয়ে ফেলার জন্যই ২০২৬ সালের ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত, সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রক। আসলে দেশের সরকার চাইছে, সমস্ত জাতীয় ক্রীড়া সংস্থাগুলি নতুন আইন মেনে পরবর্তী নির্বাচন আয়োজন করুক।
সর্বত্র একসঙ্গে শুরু হোক নতুন এই ব্যবস্থা। বর্ধিত এই সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলি তাদের কার্যনির্বাহী কমিটির অনুমোদন নিয়ে অফিশিয়ালদের কার্যকালের মেয়াদ বৃদ্ধি করতে পারবে এবং স্বাভাবিত কর্মকাণ্ড চালিয়ে নিয়ে যেতে পারবে বলে জানা যাচ্ছে। নতুন আইন কার্যকর করার জন্যই এই বাড়তি সময় দেওয়া হয়েছে।
নতুন নিয়মানুযায়ী, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য সংখ্যা হতে হবে ১৫ জন। সেই কমিটিতে অন্তত চারজন প্রাক্তন খেলোয়াড়কে রাখতে হবে। এই কমিটির সর্বাধিক মেয়াদ হবে চার বছর। সেইসঙ্গে, প্রতিটি সদস্য সংস্থা যাতে নতুন এই আইন মেনে চলে, সেই বিষয়টিও নিশ্চিত করতে হবে জাতীয় ক্রীড়া সংস্থাগুলিকে।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।