
FIFA president Gianni Infantino: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (US President Donald Trump) কথা শুনে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির (International Olympic Committee) নিয়ম লঙ্ঘন করেছেন ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফ্যান্তিনো। আইওসি-র কাছে এই অভিযোগ জমা পড়েছে। আইওসি-র নিয়ম অনুযায়ী, সব ক্রীড়া সংস্থার সঙ্গে সরাসরি রাজনীতির প্রভাব এড়িয়ে চলতে হবে। কিন্তু ইনফ্যান্তিনো একাধিক নিয়ম লঙ্ঘন করেছেন বলে অভিযোগ। আইওসি-র কাছে অভিযোগ দায়ের করেছে ফেয়ার স্কোয়্যার (FairSquare) নামে এক অ্যাডভোকেসি গ্রুপ। চলতি বিশ্বকাপ ফুটবলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবলার ফোলারিন ব্যালোগান (Folarin Balogun) লাল কার্ড দেখার পরের ম্যাচেই খেলার সুযোগ পাওয়ায় বিতর্ক তুঙ্গে ওঠে। এই ঘটনাতেই ইনফ্যান্তিনো ও ট্রাম্পের আঁতাঁত স্পষ্ট হয়ে যায়। এই কারণেই ফিফা প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
চলতি বিশ্বকাপ ফুটবলে রাউন্ড অফ ৩২ পর্যায়ে বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনার (Bosnia and Herzegovina) বিরুদ্ধে ম্যাচে লাল কার্ড দেখেন ব্যালোগান। এরপরেই আসরে নামেন ট্রাম্প। তিনি এই ফুটবলারের লাল কার্ড নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। ফিফার উপর চাপ তৈরি করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এরপরেই ফিফা শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি জানিয়ে দেয়, লাল কার্ড দেখলেও, ব্যালোগানের নির্বাসন এক বছরের জন্য স্থগিত রাখা হচ্ছে। ফলে রাউন্ড অফ ১৬ পর্যায়ে বেলজিয়ামের (Belgium) বিরুদ্ধে খেলতে নামেন এই মার্কিন ফুটবলার। কোনও ফুটবলার লাল কার্ড দেখলে পরের ম্যাচে তো বটেই, অনেক সময় দুই ম্যাচেও নির্বাসিত থাকেন। এই নির্বাসনের বিরুদ্ধে আবেদন জানানোর সুযোগই নেই। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দলের পক্ষ থেকেও নির্বাসন তুলে নেওয়ার আবেদন জানানো হয়নি। কিন্তু তারপরেও ফিফা শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি নির্বাসন স্থগিত করে দেয়। এই সিদ্ধান্তের কোনও ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।
ব্যালোগান লাল কার্ড দেখার পর ট্রাম্প প্রকাশ্যে জানান, তিনি ইনফ্যান্তিনোকে ফোন করেছিলেন। ফিফা প্রেসিডেন্টও স্বীকার করেন, তাঁকে ফোন করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। যদিও ট্রাম্পের চাপে নতিস্বীকারের কথা অস্বীকার করেন ফিফা প্রেসিডেন্ট। এ বিষয়ে এখন বিতর্ক চলছে।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।