
FIFA Controversy: ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফ্যান্তিনোর (FIFA president Gianni Infantino) বিরুদ্ধে ব্ল্যাকমেল করার অভিযোগ আনলেন জর্ডন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট আলি বিন আল হুসেইন (Jordan Football Association president Ali bin Al Hussein)। তাঁর দাবি, ফিফা প্রেসিডেন্ট পদে ইনফ্যান্তিনোকে সমর্থন করলে তবেই জর্ডনের ফুটবল-সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে সাহায্য করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডলে এক পোস্টের মাধ্যমে ফিফা প্রেসিডেন্টের তীব্র সমালোচনা করেছেন জর্ডন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট। তাঁর দাবি, ‘বিশ্বকাপ ((FIFA World Cup 2026) চলাকালীন আমাকে মৌখিকভাবে জানানো হয়েছিল, আমি যদি ইনফ্যান্তিনোকে সমর্থন করি, তাহলে আমাদের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের নানা সমস্যা সমাধানে তা অনেক সাহায্য করবে। জর্ডনে আমরা নৈতিক মূল্যবোধকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিই। আগে যেমন তাঁকে সমর্থন করিনি, এখনও করব না। পুরো ঘটনাটি ব্ল্যাকমেলের শামিল এবং আমরা এর কাছে মাথা নত করব না।’
আল হুসেইনের দাবি, জর্ডনের ফুটবল-সংক্রান্ত একাধিক সমস্যার বিষয়ে বারবার সহায়তা চাইলেও ফিফা সেগুলি উপেক্ষা করেছে। পরে সদ্যসমাপ্ত ফিফা বিশ্বকাপ চলাকালীন তাঁকে একটি রাজনৈতিক শর্তের কথা জানানো হয়। জর্ডন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট অভিযোগ করেছেন, তাঁদের দেশের অনেক ফুটবলপ্রেমীই বিশ্বকাপ ফুটবলের অনেক ম্যাচের টিকিট কেটেছিলেন। কিন্তু তাঁরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের (USA) ভিসা পাননি। যাঁরা বিশ্বকাপ দেখতে যেতে পেরেছেন, তাঁদের অনেক বেশি দামে টিকিট কাটতে হয়েছে। আল হুসেইনের কথায়, ‘ফিফার মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকার আমাদের বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের জন্য কর আদায় করেছে। এই অর্থ খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফের সদস্যদের কাছে যাওয়ার কথা ছিল। ২০২৫ সালের কাতারে অনুষ্ঠিত হওয়া আরব কাপের ফাইনালে ওঠার জন্য আমাদের দলের যে অর্থ পাওয়ার কথা, তা এখনও দেওয়া হয়নি। অথচ ফিফা গর্ব করে বলে তাদের রিজার্ভে কয়েক বিলিয়ন মার্কিন ডলার রয়েছে।’
এবারের বিশ্বকাপ ফুটবল শেষ হওয়ার পর বিশ্বজুড়ে ইনফ্যান্তিনোর প্রবল সমালোচনা চলছে। বিভিন্ন দেশের জাতীয় ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন এবং বিভিন্ন মহাদেশের ফুটবল সংস্থাগুলি ফিফা প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে তোপ দাগছে। আগামী বিশ্বকাপের অংশীদারিত্ব বেসরকারি বিনিয়োগকারী সংস্থার কাছে বিক্রি করে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন ইনফ্যান্তিনো। কিন্তু বহু সদস্য দেশ এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করায় প্রস্তাবটি বাতিল করতে বাধ্য হয় ফিফা। এর ফলে ২০২৭ সালের ফিফা প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে সামনে রেখে ইনফ্যান্তিনোর নেতৃত্ব ও ফিফার শাসনব্যবস্থা নিয়ে বিতর্ক আরও জোরদার হয়েছে।
আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।