
রবিবার ভ্যাঙ্কুভারের বিসি প্লেসে অনুষ্ঠিত 'গ্রুপ জি'-র ম্যাচে নিউজিল্যান্ডকে ৩-১ ব্যবধানে হারিয়ে মিশর ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে ওঠার পথে বড় পদক্ষেপ নিল। পিছিয়ে পড়েও জয় তুলে নেওয়ার এই ঘটনাটি ছিল চার বছর অন্তর আয়োজিত এই টুর্নামেন্টে আফ্রিকান দেশটির প্রথম জয়। প্রথমার্ধে এক গোল হজম করলেও তা শোধ করতে পারেনি মিশর। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে নিউজিল্যান্ডকে হতাশ করে একে একে ৩ গোল দিয়ে ম্যাচ জিতে নিয়েছে মোহাম্মদ সালাহরা। প্রথম ম্যাচে বেলজিয়ামের বিপক্ষে ড্র করা মিশর বিশ্বকাপ ফুটবলে এবার পেল জয়ের দেখা।
সোমবার (২২ জুন) কানাডার বিসি প্লেস স্টেডিয়ামে ‘জি’ গ্রুপের ম্যাচের ১৫ মিনিটে পিছিয়ে যায় মিশর। পরে তিনটি গোলই মিশর করে দ্বিতীয়ার্ধে। নিউজিল্যান্ডের হয়ে গোল করেন ফিন সারম্যান। পরে দ্বিতীয়ার্ধে মিশরের মোহাম্মদ জিকো, মোহাম্মদ সালাহ এবং ডেভিড ত্রেজেগে করেন গোল। প্রথমার্ধে আক্রমণে এগিয়ে ছিল নিউজিল্যান্ড। ১৫ মিনিটে গোল করে কিউইদের এগিয়ে নেন ফিন সারম্যান। মাইকেল পেইন দারুণ একটি কর্নার কিক নেন। বক্সের ভেতরে লাফিয়ে উঠে হেডে গোল করেন সারম্যান। প্রথমার্ধে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় নিউজিল্যান্ড।
দ্বিতীয়ার্ধের ৫৮ মিনিটে ডান দিক থেকে বক্সে বল পেয়ে মোহামেদ হানি চমৎকার একটি ক্রস ভাসিয়ে দেন। বক্সের মাঝখানে সম্পূর্ণ অরক্ষিত অবস্থায় থাকা জিকো হেডে বল জালে জড়িয়ে দেন। প্রতিপক্ষ গোলরক্ষকের কোনও সুযোগই ছিল না। নিখুঁত ক্রস আর দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে গোল করে সমতা ফেরায় মিশর। এরপর বক্সের ডান প্রান্তে বল পেয়ে পাস খেলেন সালাহ। জালে বল জড়িয়ে দেন ৬৭ মিনিটে। ৮২ মিনিটে আরও একটি গোল করে মিশর হেড থেকেই। এই গোলে সহায়তা করেন সালাহ। দারুণ ক্রাস করেন ডান দিক থেকে বদলি নামা ত্রেজেগে মাত্র নিজের তৃতীয় টাচেই হেড করে বল জালে জড়িয়ে দেন।
এই ফলাফলের পর চার পয়েন্ট নিয়ে মিশর তাদের গ্রুপের পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছে। এরপর দুই পয়েন্ট করে নিয়ে যথাক্রমে ইরান ও বেলজিয়াম রয়েছে এবং এক পয়েন্ট নিয়ে তালিকার তলানিতে অবস্থান করছে নিউজিল্যান্ড।