Nisith Pramanik Kolkata Derby: কলকাতা ডার্বি ড্র হয়েছে ১-১ গোলে (mohun bagan vs east bengal)। তবে সেই ম্যাচ দেখতে এসে বিরাট বার্তা দিয়ে গেলেন রাজ্যের নতুন ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক। রবিবারের মেগা ডার্বি ম্যাচ দেখতে তিনি মাঠে উপস্থিত হন। সেইসঙ্গে, ছিলেন সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি কল্যাণ চৌবে, ক্রিকেটার কেন উইলিয়ামসন, শিল্পপতি তথা মোহনবাগানের বিনিয়োগকারী সংস্থার প্রধান সঞ্জীব গোয়েঙ্কা এবং ইস্টবেঙ্গল দেবব্রত সরকার সহ আরও অনেকে (indian super league 2026)।
ম্যাচ শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক জানালেন, “একটা রোমহর্ষক ম্যাচ। দুই দলেরই দারুণ পারফরম্যান্স আমরা দেখেছি। তবে দুই দলই আজকে যথেষ্ট ভালো খেলেছে এবং দুটি দলের সমর্থকরা কেউ কারও থেকে কম যান না। একেবারে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। নিশ্চিতভাবে এতো সুন্দর একটা ম্যাচ আমরা উপভোগ করলাম আজকে এবং এত শান্তিপূর্ণভাবে। সত্যিই এটা কলকাতা বলেই সম্ভব। আমি মোহনবাগান এবং ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের হার্দিক শুভকামনা জানাই। আগামীদিনে আমরা আরও বহু এইরকম ম্যাচ দেখব। সর্বোপরি, বাংলায় ফুটবলের যে জনপ্রিয়তা, তা নিশ্চিতভাবে আগামীতে আরও বৃদ্ধি পাবে। সারা দেশের মধ্যে পশ্চিমবাংলা ফুটবলে যেইরকম এগিয়ে আছে, আগামীদিনেও সেটা বজায় থাকবে। খুব ভালো পরিবেশ। সারা বিশ্বের যেকোনও জায়গা থেকে ফুটবলাররা যখন খেলতে এসেছেন, তারা কলকাতার দর্শকদের সুনাম করে গেছেন।”
ক্রীড়ামন্ত্রী বলছেন, “তবে আমাদের একটা দুর্ভাগ্যের বিষয় যে, মেসি কাণ্ডের মতো একটা খারাপ ঘটনা ঘটে গেছে এই যুবভারতীতে। সেটা আমাদের জন্য একটা কালো অধ্যায়, লজ্জার অধ্যায়। তাই আমি মন্ত্রালয়ে বসেই সিদ্ধান্ত নিয়েছি, এই ঘটনার পিছনে যে সমস্ত কুচক্রীরা রয়েছে, যাদের জন্য বাংলার মাথা নিচু হয়ে গেছে, বাংলার সাধারণ মানুষের মাথা লজ্জায় হেঁট হয়ে গেছে, তাদেরকে ছেড়ে কথা বলা হবে না। তাদের শাস্তি হবে। যারা সেইদিন নিজের কষ্টার্জিত টাকা দিয়ে মেসিকে দেখতে মাঠ এসেছিলেন, কিন্তু মাঠে এসে একটা বিড়ম্বনার মধ্যে পড়েন, একটা খারাপ অভিজ্ঞতা নিয়ে ফিরে যান! আমরা এজেন্সিকেও বলেছি, তাদের সেই টাকা যেন ফিরিয়ে দেওয়া হয়। নাহলে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
অন্যদিকে, মোহনবাগানের পক্ষ থেকে ক্রীড়ামন্ত্রীকে সবুজ মেরুন জার্সি তুলে দেন সঞ্জীব গোয়েঙ্কা। সেই ছবি পোষ্ট করে নিশীথ প্রামাণিক এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, “কলকাতা ডার্বির আগে আপনার আন্তরিক সৌজন্য এবং স্মরণীয় আলাপচারিতার জন্য ধন্যবাদ, ডঃ সঞ্জীব গোয়েঙ্কা। বাংলার সমৃদ্ধ ফুটবল ঐতিহ্যের আরও একটি অধ্যায় উন্মোচিত হতে দেখাটা ছিল এক পরম আনন্দের বিষয়।"
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।