
Anti-Doping Law: ক্রীড়াক্ষেত্রে মাদকের ব্যবহার রোখার জন্য কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পরিকল্পনা করছে ক্রীড়ামন্ত্রক (Ministry of Sports)। পারফরম্যান্স-বর্ধক মাদক ব্যবহারকে এবার অপরাধ হিসেবে দেখা হবে। অপরাধের ক্ষেত্রে আইন অনুযায়ী যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়, এবার মাদক ব্যবহারের ক্ষেত্রে সেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জাতীয় ডোপ-বিরোধী আইন (National Anti-Doping Act) সংশোধন করার কথা ভাবা হচ্ছে। এই আইন সংশোধন করা হলে দেশে ক্রীড়াক্ষেত্রে বড় বদল হতে চলেছে। ক্রীড়ামন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, ডোপ-বিরোধী আইন সংশোধন করা হলে শুধু ক্রীড়াবিদদের সাজা দেওয়া এবং তাঁদের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক ব্যবস্থা নেওয়াই নয়, ক্রীড়াক্ষেত্রে নীতিগত বদলেরও ব্যবস্থা করার কথা ভাবা হচ্ছে।
ক্রীড়ামন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, ডোপ-বিরোধী আইন সংশোধন করা হলে শুধু সংশ্লিষ্ট ক্রীড়াবিদদেরই সাজা দেওয়া হবে না, কোচ, ট্রেনার, সাপোর্ট স্টাফ, মাদক সরবরাহকারী, চোরাচালানকারী, ক্রীড়াবিদদের মাদক নিতে সাহায্যকারী ব্যক্তিদের আইনি জালে জড়ানো হবে। সবার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একজন ক্রীড়াবিদ পারফরম্যান্স-বর্ধক মাদক ব্যবহার করলেও, তাঁর সাহায্যকারী হিসেবে অনেকে থাকেন। এই কারণেই আইন সংশোধন করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছে ক্রীড়ামন্ত্রক। বর্তমানে আইন অনুযায়ী কোনও ক্রীড়াবিদ ডোপ পরীক্ষায় ধরা পড়লে নির্বাসিত হন। তাঁকে কোনও প্রতিযোগিতা থেকে বাতিল করা হয়। এই আইন সংশোধন করা হলে, ডোপ পরীক্ষায় ধরা পড়লে আইনি ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।
ভারতীয় ক্রীড়াবিদদের মধ্যে পারফরম্যান্স-বর্ধক মাদক সেবনের প্রবণতা বাড়ছে। অ্যাথলেটিক্স ইনটেগ্রিটি ইউনিটের (Athletics Integrity Unit) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গত চার বছরে সারা বিশ্বে যে দেশগুলিতে সবচেয়ে বেশি ডোপ-বিরোধী আইন লঙ্ঘন করা হয়েছে, তার মধ্যে আছে ভারত। ২০২২ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে ভারতের ২১২ জন ক্রীড়াবিদ ডোপ পরীক্ষায় ধরা পড়েছেন। এই কারণেই ডোপ-বিরোধী আইন সংশোধন করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ভাবছে ক্রীড়ামন্ত্রক।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।