ISIS Suspect: ছেলে জঙ্গি সন্দেহে গ্রেপ্তার, বাবা বললেন 'দোষ করলে সাজা হোক'

Published : Apr 05, 2026, 07:00 PM IST
ISIS Suspect: ছেলে জঙ্গি সন্দেহে গ্রেপ্তার, বাবা বললেন 'দোষ করলে সাজা হোক'

সংক্ষিপ্ত

উত্তরপ্রদেশের কুশীনগর থেকে ISIS জঙ্গি সন্দেহে রিজওয়ান নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে ইউপি ATS এবং দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল। একটি যৌথ অভিযানে তাকে ধরা হয়। আন্তর্জাতিক কল এবং বিস্ফোরক পদার্থ আইনের ধারায় তার বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। ছেলের গ্রেপ্তারের পর বাবা বলেছেন, যদি সে দোষী হয়, তবে আইন অনুযায়ী তার শাস্তি হওয়া উচিত।

Kushinagar ISIS Suspect Arrest: উত্তরপ্রদেশের কুশীনগরে শনিবার গভীর রাতে নিরাপত্তা এজেন্সিগুলো এক বড়সড় অভিযান চালায়। এই অভিযানে রিজওয়ান নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। উত্তরপ্রদেশ অ্যান্টি-টেররিজম স্কোয়াড (UP ATS) এবং দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল যৌথভাবে এই অপারেশনটি চালায়। রিজওয়ানের নাম আগেও জঙ্গি সংগঠন ISIS-এর সঙ্গে জড়িত মামলায় উঠে এসেছিল। গ্রেপ্তারের পর তাকে ট্রানজিট রিমান্ডে দিল্লি নিয়ে যাওয়া হয়েছে, যেখানে তাকে জেরা করা হচ্ছে।

বাবার বক্তব্য: যদি ভুল করে থাকে, তবে সাজা হোক

রিজওয়ানের গ্রেপ্তারের পর তার বাবা নিজামুদ্দিনের প্রতিক্রিয়া সামনে এসেছে। তিনি পরিষ্কার বলেছেন, যদি তার ছেলে দোষী প্রমাণিত হয়, তাহলে আইন অনুযায়ী তার শাস্তি হওয়া উচিত। নিজামুদ্দিন একজন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী। তিনি বলেন, “আমরা এই দেশের নাগরিক এবং নিজের দেশকে ভালোবাসি। আমার ছেলে যদি কোনও ভুল করে থাকে এবং সে দোষী হয়, তাহলে ওর সাজা পাওয়া উচিত।” তিনি এটাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে তিনি কোনও ধরনের বেআইনি কার্যকলাপ সমর্থন করেন না।

 

 

কী কী অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হল?

দিল্লি পুলিশের মতে, রিজওয়ানকে একটি মামলায় খোঁজা হচ্ছিল, যেখানে বিস্ফোরক পদার্থ আইনের (Explosive Substances Act) ৪ এবং ৫ নম্বর ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। তদন্তকারী সংস্থাগুলোর কাছে খবর ছিল যে সে সম্প্রতি বেশ কিছু আন্তর্জাতিক কল করছিল। এই কলগুলো নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর মনে সন্দেহ তৈরি করে। এরপরই তার গতিবিধির ওপর নজর রাখা হয় এবং অবশেষে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আগেও এজেন্সির নজরে ছিল রিজওয়ান

রিজওয়ানের নাম প্রথমবার তদন্তকারী সংস্থাগুলোর সামনে আসে ২০১৬ সালে। তখন মহারাষ্ট্র অ্যান্টি-টেররিজম স্কোয়াড তাকে ISIS-এর সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার করেছিল। এরপর সে একটি বিস্ফোরণের মামলায় ২০১৭ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত দিল্লির জেলে বন্দি ছিল। জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর সে আবার স্বাভাবিক জীবনযাপন করছে বলে মনে হচ্ছিল। কিন্তু এখন এজেন্সিগুলোর সন্দেহ, তার কার্যকলাপ পুরোপুরি বন্ধ হয়নি।

জেল থেকে বেরিয়ে কী করছিল?

জেল থেকে বেরিয়ে রিজওয়ান নিজের ঠিকানা বদলে ফেলেছিল এবং একটি ফাস্ট ফুডের দোকান চালাচ্ছিল। তদন্তকারী সংস্থাগুলোর ধারণা, এটা হয়তো স্বাভাবিক জীবন দেখানোর একটা চেষ্টা ছিল। তবে এজেন্সিগুলো সন্দেহ করছে যে এর আড়ালে সে যুবকদের প্রভাবিত করার বা যোগাযোগ বজায় রাখার চেষ্টা করছিল।

 

 

তদন্তকারী সংস্থাগুলো এখন কী খুঁজছে?

দিল্লি পুলিশ এখন রিজওয়ানকে দিল্লিতে নিয়ে গিয়ে বিস্তারিত জেরা করছে। তদন্তকারী সংস্থাগুলো জানার চেষ্টা করছে যে তার নেটওয়ার্ক কতটা বড়, সে কোথা থেকে টাকা পাচ্ছিল এবং তার সঙ্গে অন্য কোনও সন্দেহভাজন ব্যক্তির যোগাযোগ আছে কি না।

PREV
Read more Articles on
click me!

Recommended Stories

Yogi Adityanath: লখনউকে সাফ রাখতে রাস্তায় নামছে ২৫০টি নতুন গাড়ি, সবুজ সঙ্কেত দেবেন যোগী
UP Scholarship: ২৮ লক্ষ পড়ুয়ার অ্যাকাউন্টে ৩৩৫০ কোটি টাকা, শিক্ষায় নতুন রেকর্ড যোগী সরকারের