
উত্তরপ্রদেশের সাহারানপুরে শনিবার ধর্মীয় आस्था আর উন্নয়ন প্রকল্পের এক গুরুত্বপূর্ণ ছবি দেখা গেল। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এখানকার সিদ্ধপীঠ মা শাকম্ভরী দেবী মন্দিরে পা রাখেন। তিনি মন্দিরে রীতি মেনে পুজো দেন এবং আশেপাশের উন্নয়নমূলক কাজও খতিয়ে দেখেন। মুখ্যমন্ত্রী আধিকারিকদের সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, সব প্রকল্প যেন নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এবং ভালো মানের সঙ্গে শেষ করা হয়।
মুখ্যমন্ত্রী শাকম্ভরী দেবী মন্দির চত্বরে তৈরি হতে থাকা ট্যুরিজম করিডোরের কাজের অগ্রগতি খতিয়ে দেখেন। এই প্রকল্পের আওতায় একাধিক সুবিধা তৈরি করা হচ্ছে, যাতে এখানে আসা পুণ্যার্থী ও পর্যটকরা আরও ভালো ব্যবস্থা পান। পরিদর্শনের সময় তিনি নির্মীয়মাণ স্মারকচিহ্নের দোকান (souvenir shop), টয়লেট ব্লক, ট্যুরিস্ট ফেসিলিটেশন সেন্টার এবং মাল্টিলেভেল পার্কিং-এর মতো সুবিধার কাজ দেখেন এবং আধিকারিকদের থেকে কাজের অগ্রগতির খবর নেন।
মুখ্যমন্ত্রী আধিকারিকদের নির্দেশ দিয়েছেন যে অক্টোবরে শারদীয়া নবরাত্রির আগেই এই প্রকল্পগুলি শেষ করার প্রস্তুতি নিতে হবে। তিনি বলেন, পুণ্যার্থীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে কাজের গুণমান এবং সময়সীমা, দুটোতেই বিশেষ নজর দিতে হবে।
পরিদর্শনের সময় মুখ্যমন্ত্রী ভূরাদেব মন্দির থেকে মা শাকম্ভরী দেবী মন্দির পর্যন্ত তৈরি হতে থাকা এলিভেটেড রোডের কাজও খতিয়ে দেখেন। তিনি আধিকারিকদের বলেন, এই রাস্তার নির্মাণকাজ যত তাড়াতাড়ি সম্ভব শেষ করতে হবে, যাতে পুণ্যার্থীদের যাতায়াতে সুবিধা হয়।
এই অনুষ্ঠানে একাধিক জনপ্রতিনিধি এবং প্রশাসনিক আধিকারিকও উপস্থিত ছিলেন। কর্মসূচিতে রাজ্য সরকারের মন্ত্রী, স্থানীয় বিধায়ক এবং প্রশাসনিক কর্তারা যোগ দেন। এঁদের মধ্যে সংসদীয় ও শিল্প উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী যশবন্ত সাইনি, পূর্ত প্রতিমন্ত্রী ব্রজেশ সিং, নকুড়ের বিধায়ক মুকেশ চৌধুরী, রামপুর মণিহারানের বিধায়ক দেবেন্দ্র নিম, গঙ্গোহের বিধায়ক কিরত সিং এবং নগর বিধায়ক রাজীব গুম্বর উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া পুলিশ ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন আধিকারিকরাও পরিদর্শনের সময় मौजूद ছিলেন।
সরকারের বক্তব্য, মা শাকম্ভরী দেবী মন্দির এলাকায় ট্যুরিজম করিডোর তৈরি হলে পুণ্যার্থীরা আরও ভালো সুবিধা পাবেন। এর পাশাপাশি, এই অঞ্চলে পর্যটনও বাড়বে। মুখ্যমন্ত্রী আধিকারিকদের বলেছেন, উন্নয়নমূলক কাজে যেন কোনও গাফিলতি না হয় এবং সব প্রকল্প যেন নির্দিষ্ট মান অনুযায়ী শেষ করা হয়।