
Caller Identification: ৩১ মার্চের পরে (সম্ভাব্য) কোনো থার্ড-পার্টি অ্যাপ ছাড়াই ট্রু-কলারের (Truecaller) মতো অজানা কলারের নাম সরাসরি ফোনের স্ক্রিনে ভেসে উঠবে। ভারত সরকার ও TRAI-এর উদ্যোগে চালু হচ্ছে CNAP (Calling Name Presentation) পরিষেবা। এর মাধ্যমে সিম কার্ডের কেওয়াইসি (KYC)-তে থাকা নামই কল করার সময় প্রদর্শিত হবে।
১. অ্যাপ ছাড়া নাম পরিচয়: Truecaller বা ট্রু-কলারের মতো কোনো অ্যাপ ইনস্টল করার প্রয়োজন নেই। প্রযুক্তিটি সরাসরি টেলিকম নেটওয়ার্ক স্তরে কাজ করবে ।
২. সিম KYC-এর ওপর ভিত্তি করে: ফোন করার সময় স্ক্রিনে সেই নামটিই দেখা যাবে, যেটি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি সিম কার্ড কেনার সময় সরকারি আইডিতে (আধার/প্যান) দিয়েছেন।
৩. স্প্যাম কল হ্রাস: এই পরিষেবা চালু হলে অচেনা নম্বর থেকে আসা জালিয়াতি বা স্প্যাম কল সহজে চেনা যাবে, ফলে সাইবার প্রতারণা কমবে।
৪. বাধ্যতামূলক নয় (Opt-out): ব্যবহারকারীরা চাইলে এই ফিচারটি বন্ধ বা অ্যাক্টিভেট করার সুযোগ পাবেন, এটি একটি ডিফল্ট ফিচার হিসেবে যুক্ত হবে।
৫. পাইলট প্রজেক্ট ও বাস্তবায়ন: টেলিকম কোম্পানিগুলো ইতোমধ্যে এই পরিষেবার ট্রায়াল করেছে এবং মার্চ ২০২৬-এর মধ্যে বা তার পরে এটি দেশজুড়ে সম্পূর্ণ কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে।
বিস্তারিত আলোচনা:এই নতুন পরিষেবাটি সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য খুব স্বস্তিদায়ক হবে কারণ বর্তমানে স্প্যাম কলের সংখ্যা অত্যধিক বেড়ে গেছে । এটি মূলত ট্রু-কলারের একটি সরকারি ও ভেরিফাইড বিকল্প। যখনই কোনো অজানা নম্বর থেকে কল আসবে, তখন ফোন নম্বরটির সাথে তার নামটিও ফুটে উঠবে, যাতে ব্যবহারকারী সিদ্ধান্ত নিতে পারেন যে তিনি কলটি ধরবেন কি না । এটি মূলত ৪জি এবং ৫জি নেটওয়ার্কে কাজ করবে।
Truecaller এবং CNAP-এর মধ্যে পার্থক্য:Truecaller যেখানে ক্রাউডসোর্সড (ব্যবহারকারীদের তালিকার) তথ্যের ওপর ভিত্তি করে কাজ করে, সেখানে CNAP সরাসরি টেলিকম ডাটাবেস থেকে তথ্য নেয়, যা অনেক বেশি নির্ভুল ও নিরাপদ।
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।