
বিয়ের আসরে বরের বেসামাল কীর্তি দেখে কেউ হলেন অবাক কেউ কেউ তো হেসে গড়াগড়ি। পাত্রী সব দেখে রাগে গজগজ করতে লাগলেন। দেখে গেল হবু বর বউয়ের বদলে মালা পরালেন কেনর সুন্দরী এক বান্ধবীকে। ভুলে করেছে দেখে এরপর আরও ভুল করতে লাগলেন বর। আর সহ্য করতে না পেরে হবু বরের গালে সপাটে চড় কষিয়ে বিয়ে করতে অস্বীকার করলেন পাত্রী। আর এই নিয়ে বিয়ে বাড়িতে রীতিমত উত্তেজনা তৈরি হয়ে গেল। পুলিশ এসে ধরে নিয়ে যায় ওই পাত্রকে।
সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী জানা যায়, পাত্রের নাম রবীন্দ্র কুমার। সে একপ্রকার নেশাগ্রস্ত অবস্থায় বিয়ে করতে পৌঁছেছিলেন। বিয়ের ঠিক মূহূর্তে পাত্রীকে নয়, তার জায়গায় পাশে থাকা এক সুন্দরী বান্ধবীর গলায় মালা পড়িয়ে দিলেন পাত্র। এখানেই থেমে না থেকে আরও একাধিক ভুল করতে থাকেন । শেষে পাত্রী রণচন্ডী মুর্তি ধরতেই ঠেকানো যায় বেসামাল পাত্রকে। সে হবু বরকে চড় মেরে থামিয়ে দেয় তার বেয়াদপি। তারপরই বলে দেন এই বিয়েতে আর তার সম্মতি নেই। সংবাদ সূত্রে জানা যায়, ওই পাত্র নাকি কনেকে বাদ দিয়ে তার আশেপাশে থাকা বন্ধু, আত্মীয়দের গলাতেও মালা পরিয়ে দিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। সকলের সামনে মত্ত পাত্রের এই রূপ দেখে একটা সময় ছাদনাতলায় দাঁড়িয়ে হাউমাউ করে কেঁদেও ফেলেন পাত্রী। কিন্তু তারপরেই ভবিষ্যতের কথা ভেবে কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন। বিয়ের আসরে এই কাণ্ড শুরু হতেই সকলের মধ্যে দেখা যায় চরম অস্থিরতা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঝগড়া শুরু হয়ে যায় দুই পরিবারের মধ্যে।পরিস্থিতি ত্রমশঃ জটিল আকার নিতেই খবর যায় পুলিশে। কিছু সময়ের মধ্যে বিয়েবাড়ি পুলিশ গিয়ে পাত্রকে গ্রেফতার করে এবং তার মেডিকেল পরীক্ষা করায়। সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ঘটনাস্থল উত্তরপ্রদেশের বরেলির নওগাঁও ভগবতপুর গ্রামে।
পুলিশ জানিয়েছে, ২৬ বছর বয়সি রবীন্দ্র কুমারের সঙ্গে ২১ বছর বয়সি যুবতীর বিয়ের আসর বসেছিল। বিয়ের আচার-অনুষ্ঠানে মন না দিয়ে সে বরং ব্যস্ত ছিলেন বন্ধুদের সঙ্গে মদ্যপান করতেই। যৌতুক আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে পাত্রের পরিবারের বিরুদ্ধে ।
আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।