
মহারাষ্ট্রের সাতারা জেলায় বুধবার ভোরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের চার সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। একটি বৈদ্যুতিক তারের সংস্পর্শে আসায় এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। ফলটান তালুকার খামগাঁও গ্রামে ভোর সাড়ে ৫টা থেকে ৬টার মধ্যে এই ঘটনাটি ঘটে। একে অপরকে বাঁচাতে গিয়েই পরিবারের চার সদস্য পর্যায়ক্রমে প্রাণ হারান। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, খামগাঁওয়ের একটি বেসরকারি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের কাছে বসবাসকারী সতীশ ওরফে পিসুরাদ্যা কিষান শিন্ডে (৪৫) প্রথমে বাড়ির বাইরে একটি বৈদ্যুতিক তারের সংস্পর্শে আসেন। তাঁকে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হতে দেখে তাঁর স্ত্রী গঙ্গুবাই শিন্ডে (৪০), ছেলে সচিন শিন্ডে (২৬) এবং মেয়ে আরতি শিন্ডে (২৪) তাঁকে বাঁচাতে ছুটে যান। কিন্তু তাঁরাও সেই তারের সংস্পর্শে চলে আসেন এবং বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন।
ঘটনাস্থলেই চারজনের মৃত্যু হয়। সাতারার পুলিশ সুপার নিখিল পিংলে বলেন, "প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে যে, একটি তার ছিঁড়ে উপরের দিকের মূল বিদ্যুৎ লাইনের সংস্পর্শে আসায় সেটি সচল বা বিদ্যুতায়িত হয়ে পড়েছিল।" ঘটনার খবর পেয়ে ফলটান গ্রামীণ পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করে। পরে মৃতদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য ফলটান মহকুমা হাসপাতালে পাঠানো হয়।
ফলটান পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, "ধারণা করা হচ্ছে, প্রথমে একজন ব্যক্তি তারের সংস্পর্শে এসে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন এবং পরিবারের অন্য সদস্যরা তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে নিজেরাও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন।" বাড়ির বাইরের ওই তারটি কীভাবে বিদ্যুতায়িত হল, দুর্ঘটনার কারণ কী এবং এতে কোনও গাফিলতি ছিল কি না, তা নিয়ে পুলিশ তদন্ত করছে। তদন্ত শেষ হলে ঘটনার প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
পুলিশ এই ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা (অ্যাক্সিডেন্টাল ডেথ রিপোর্ট) নথিভুক্ত করেছে। আরেকটি পৃথক ঘটনায়, শনিবার নালাসোপারায় নিজ বাড়িতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে বেদান্ত সাওয়ান্ত (২০) নামে এক কলেজ ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। তাঁর মৃত্যুর ফলে মুম্বাই মেট্রোপলিটন অঞ্চলে (এমএমআর) এক সপ্তাহের মধ্যে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ছয়জনে দাঁড়িয়েছে।
West Bengal News (পশ্চিমবঙ্গের খবর): Read In depth coverage of West Bengal News Today in Bengali including West Bengal Political, Education, Crime, Weather and Common man issues news at Asianet News Bangla.