মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, "তৃণমূল মিথ্যে অপপ্রচার চালাচ্ছে ফর্মের পাতার সংখ্যা নিয়ে। ১২পাতা-১৩ পাতা এমনি এমনি করা হয়নি। অনেক গরমিক আছে আগের তথ্যে। ন্যায্য মানুষ ন্যায্য টাকা পাবে না, এটা হতে পারে না। হাজার হাজার তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা লুঠ করেছে। রাকিবুল, মুস্তাফিজুর, তারিকুলরা মিলে অন্তত ৩০ লক্ষ মানুষের টাকা লুঠ করেছে। এদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। মহিলাদের জন্য করে সেই টাকা কেন রাকিবুলদের দেওয়া হবে? আর্থিক তছরূপের অভিযোগ আনা হচ্ছে। সেই মতোই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মহিলা না-হয়েও লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা নিচ্ছিলেন। যারা লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা লুট করছেন, তাঁদের কাউকে ছাড়ব না। আমি ডিজিপি-কে বলেছি সিট গঠন করতে।"