Digha Jagannath Temple: গ্যাস সংকটে দীঘার মন্দিরের প্রসাদে কাটছাঁট, যুদ্ধের প্রভাব বাংলার সৈকতে!

Published : Mar 13, 2026, 11:06 AM IST
Odissi performance on Digha's Jagannath Temple inauguration in East Medinipur

সংক্ষিপ্ত

Digha Jagannath Temple: গ্যাসের আকালে দীঘায় সংকটের মুখে মহাপ্রভুর প্রসাদ বিতরণ। এবার ভক্তদের জন্যওব কাঁটছাট করা হচ্ছে ভোগের প্রসাদ বিতরণ। কী বলছে মন্দির কর্তৃপক্ষ? বিশদ তথ্যের জন্য পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন… 

Digha Jagannath Temple: গ্যাস সংকটের কোপ এবার দীঘার জগন্নাথ মন্দিরে। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের জেরে টান পড়েছে এলপিজি সরবরাহে, আর তার জেরেই মন্দিরের প্রসাদ বিতরণে কাটছাঁট করতে বাধ্য হলেন কর্তৃপক্ষ। যেখানে হাজার হাজার ভক্তের অন্নভোগ রান্না হতো, সেখানে এখন সংখ্যাটা নামিয়ে আনা হয়েছে নামমাত্রে। সমুদ্রনগরী দীঘার অন্যতম আকর্ষণ জগন্নাথ মন্দির। প্রতিদিন যেখানে হাজার হাজার ভক্তের সমাগম হয় মহাপ্রসাদের আশায়। কিন্তু সেই রান্নাঘরেই এখন দুশ্চিন্তার কালো মেঘ।

দীঘায় বন্ধের মুখে জগন্নাথদেবের প্রসাদ বিতরণ:-

গ্যাস সরবরাহে টান পড়ায় থমকে গিয়েছে প্রসাদ তৈরির চেনা গতি। মন্দিরে থাকা মজুত গ্যাস এখন শেষের পথে, আর নতুন করে রিফিলিং না হওয়ায় চরম বিপাকে কর্তৃপক্ষ। সংকটের গভীরতা এতটাই যে, প্রসাদ বিতরণের সংখ্যা একধাক্কায় অনেকটা কমিয়ে আনা হয়েছে। আগে যেখানে প্রায় ৩০০০ মানুষের প্রসাদ রান্না হত, তা কমিয়ে এখন ৭৫০ করা হয়েছে। তবে ভক্তদের ভোগ বন্ধ হলেও, জগন্নাথদেবের নিত্যভোগে যাতে কোনো ছেদ না পড়ে, তার জন্য মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছেন সেবাইতরা।

শুধু মন্দির নয়, এই সংকটের ছায়া দীর্ঘ হচ্ছে দীঘা, শঙ্করপুর, মন্দারমণি এবং তাজপুরের পর্যটন মানচিত্রেও। একই অবস্থা এখানকার হোটেলগুলিতেও। কারণ, দীঘা,মন্দারমণি, শঙ্করপুর, তাজপুর, হোটেল মালিকদের দাবি গত কয়েকদিন ধরে এলপিজি ও পেট্রো পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি ও আকাল হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়তে সমুদ্র সৈকত নগরীতে পর্যটকদের সংখ্যা কিছুটা হলেও কমেছে।

এরফলে কিছুটা হলেও সমস্যার সম্মুখীন হতে চলেছেন হোটেল ব্যবসায়ীরা। তাদের দাবি এলপিজি গ্যাসের এজেন্টরা তারা হোটেল এবং রেস্টুরেন্টগুলিতে জানিয়ে দিয়েছেন তেমন পরিপূর্ণভাবে গ্যাসের সিলিন্ডার পাওয়া নাও যেতে পারে। সেই আশঙ্কায় ভুগছে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী থেকে খাবার হোটেলের ব্যবসায়ীরা।

বিশেষ করে যে সব বড় হোটেলগুলোতে রেস্টুরেন্টের ব্যবস্থা রয়েছে সেইসব হোটেলে পর্যটকরা সাধারণত রাস্তার হোটেলে খেতে যান না। যেই হোটেলে থাকবেন সেই হোটেলেই তারা খাওয়া দাওয়ার চিন্তা-ভাবনা করেন। এতে দেখা যাচ্ছে ওই হোটেলগুলোতে এলপিজি সাপ্লাই ঠিকঠাক না হওয়ার ফলে রান্না যে একেবারে বন্ধ হওয়ার মুখে এটা পরিষ্কার করে বলেছেন হোটেল মালিকরা। কিন্তু এই পরিস্থিতি কতদিন চলবে? যুদ্ধ থামলে কি স্বাভাবিক হবে সরবরাহ? আপাতত এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে সারা দেশবাসীর মনে।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।

PREV

West Bengal News (পশ্চিমবঙ্গের খবর): Read In depth coverage of West Bengal News Today in Bengali including West Bengal Political, Education, Crime, Weather and Common man issues news at Asianet News Bangla.

Read more Articles on
click me!

Recommended Stories

LPG Crisis: গ্যাসের আকালে বন্ধ হচ্ছে নামী দামি রেস্তোরাঁ, বন্ধের মুখে অধিকাংশ ক্লাউড কিচেন
আজ থেকে অ্যাকাউন্টে ঢুকবে যুবসাথী প্রকল্পের টাকা, ভাতা পাবেন কারা? বিশেষ ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর