
Abhishek Banerjee News: বিলবোর্ড বিতর্কের পর এবার ফায়ার অডিট। অভিষেকের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে পুলিশ ও দমকলের যৌথ অভিযান। বিলবোর্ড সরানো নিয়ে তুমুল অশান্তির রেশ কাটতে না কাটতেই এবার ফায়ার অডিট এবং বিল্ডিং প্ল্যান যাচাইয়ের উদ্দেশ্যে পুলিশ ও দমকলের একটি যৌথ দল ক্যামাক স্ট্রিটের ওই বহুতলে পৌঁছায়। গত সপ্তাহে কোনও লিখিত নোটিস ছাড়াই পুরসভা ও পুলিশ অভিষেকের কার্যালয়ের বাইরের বিলবোর্ড সরাতে যায় বলে অভিযোগ। সেই সময় তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে প্রশাসনিক কর্মীদের তীব্র ধস্তাধস্তি বাধে।
সূত্রের খবর, সেই সময় সরকারি কাজে বাধা মারধর ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে মোট ৩টি পৃথক এফআইআর দায়ের করা হয় যার মধ্যে ২টিতে নাম রয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এই মামলার প্রেক্ষিতে ১ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার বেলা ১২টার মধ্যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে শেক্সপিয়র সরণি থানায় সশরীরে হাজিরার নোটিস পাঠানো হয়েছে। সোমবার দুপুরে দমকল ও পুলিশের নতুন করে অভিযানের জেরে ক্যামাক স্ট্রিট চত্বরে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত ২৯ অগাস্ট অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিসে যায় পুরসভার আধিকারিকরা ও কলকাতা পুলিশ। জানা গিয়েছে, ক্যামাক স্ট্রিটের অফিস ঘিরে বিতর্ক যেন কিছুতেই থামছে না। বেআইনি বিলবোর্ড নিয়ে তুমুল অশান্তির পর এবার সামনে এল আরও গুরুতর অভিযোগ। বাড়ির মালিকপক্ষের দাবি, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ওই বিল্ডিংয়ের দু’টি ফ্লোর দখল করে রাখা হয়েছে। ২০২০ সালের ভাড়ার চুক্তি ঘিরেই তৈরি হয়েছে এই নতুন বিতর্ক। জানা গিয়েছে, কলকাতার ৯ নম্বর ক্যামাক স্ট্রিটের বাড়িটি ২০২০ সালে তৃণমূল যুব কংগ্রেসের জন্য ভাড়া নেওয়া হয়েছিল। বাড়ির মালিক রমা গোয়েঙ্কার সঙ্গে হওয়া সেই চুক্তিতে একাধিক শর্ত ছিল। মালিকপক্ষের অভিযোগ, পরবর্তীকালে সেই শর্তগুলি যথাযথভাবে মানা হয়নি। তা থেকেই তৈরি হয়েছে বর্তমান জটিলতা।
#WATCH | West Bengal | Kolkata Municipal Corporation personnel, in support of Kolkata Police, remove the signboard that reads 'All India Trinamool Congress' from a building on Camac Street that houses TMC MP Abhishek Banerjee's Office. pic.twitter.com/bLQiacRx3S
— ANI (@ANI) August 27, 2026
বাড়ির মালিকপক্ষের অভিযোগ, চুক্তির শর্ত মেনে চলার পরিবর্তে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বিল্ডিংয়ের দু’টি ফ্লোর দখল করে রাখা হয়েছে। তাঁদের দাবি, জায়গা খালি করার বিষয়ে বারবার বলা হলেও কোনও ফল হয়নি। এই পরিস্থিতির জন্য রাজনৈতিক প্রভাবকেই দায়ী করছে মালিকপক্ষ। যদিও অভিযোগের বিষয়ে তৃণমূলের বক্তব্য জানা যায়নি।
আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।