- Home
- West Bengal
- Kolkata
- Abhishek Porel: বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে যুবতীর সঙ্গে সহবাসের অভিযোগ, অভিষেক পোড়েলের দ্রুত শুনানির আবেদন খারিজ
Abhishek Porel: বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে যুবতীর সঙ্গে সহবাসের অভিযোগ, অভিষেক পোড়েলের দ্রুত শুনানির আবেদন খারিজ
Abhishek Porel: দ্রুত শুনানি চেয়েও হলো না সুরাহা। নারী নির্যাতন ও বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাস মামলায় ধৃত বাংলার ক্রিকেটার অভিষেক পোড়েলের আগাম জামিনের আবেদন ও দ্রুত শুনানির আর্জি শুনলই না আদালত। কী বলল কলকাতা হাইকোর্ট? দেখুন সম্পূর্ণ ফটো গ্যালারিতে।

কলকাতা হাইকোর্টে ধাক্কা অভিষেক পোড়েলের
হাইকোর্টে ধাক্কা খেলেন বাংলার ক্রিকেটার অভিষেক পোড়েল। ধর্ষণের অভিযোগে গ্ৰেফতার হয়ে বর্তমানে হুগলি জেলে বন্দি রয়েছেন আইপিএল-এ দিল্লি ক্যাপিটাল দলের নির্ভরযোগ্য এই কিপার-ব্যাটার। গ্ৰেফতারির বিরুদ্ধে দ্রুত শুনানির আর্জি জানিয়ে সোমবার অভিষেকের আইনজীবী ময়ূখ মুখোপাধ্যায় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য্যর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

কী বলল আদালত?
সোমবার অভিষেক পোড়েলের মামলায় দ্রুত শুনানির আর্জি খারিজ করে দিলেন বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য্য। বিচারপতি পরিষ্কার জানিয়ে দিলেন, 'যেহেতু ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হয়েছেন অভিষেক, তাই জামিনের জন্য আবেদন করুন। ' তালিকা মেনেই মামলার শুনানি হবে বলে জানান বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য্য।
কলকাতা হাইকোর্টে নাকচ অভিষেক পোড়েলের দ্রুত শুনানির আবেদন
সোমবার বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য্যর দৃষ্টি আকর্ষণ করে অভিষেকের আইনজীবী আদালতে জানান, মামলার চার্জশিট ইতিমধ্যেই পেশ করা হয়েছে। তাই গ্ৰফতারির আশঙ্কায় এই মামলা দায়ের করা হয়েছিল। কিন্তু তার আগেই গ্ৰফতার করা হয়। এই আদালতেই সেই মামলা বিচারাধীন থাকার কারণে জামিনের আবেদন করা যাচ্ছে না। তারপরই দ্রুত শুনানির আবেদন জানান অভিষেকের আইনজীবী। কিন্তু বিচারপতি দ্রুত শুনানির আর্জি খারিজ করে দেন।
ঠিক কী কী অভিযোগ উঠেছে বাংলার এই তরুণ ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে?
বেশ কিছুদিন আগেই অভিষেক পোড়েলের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। গত ২৩ জুন কর্নাটকের এক তরুণী ডাক্তারী পড়ুয়া অভিষেকের বিরুদ্ধে মগড়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগকারী তরুণীর দাবি, বাংলার ক্রিকেটার অভিষেকের সঙ্গে তাঁর সাড়ে তিন বছরের সম্পর্ক ছিল। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে অভিষেক তাঁর সঙ্গে সহবাস করেন। দু'জনে বিদেশে ঘুরতেও যান। কিন্তু পরে অভিষেক ধীরে ধীরে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ কমিয়ে দেন এবং দূরত্ব তৈরি করেন। বছর দেড়েক আগে তাঁদের মধ্যে একবার সমস্যা হলে, তা থানা পর্যন্ত গড়ায়। তবে সেসময় তিনি অভিযোগ দায়ের করেননি। পরে তরুণী মগড়া থানায় ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেন। তারপরই গত ১১ অগাস্ট অভিষেককে দমদম থেকে গ্রেফতার করে মগড়া থানার পুলিশ।
আপাতত জেল হেফাজতেই অভিষেক
গ্ৰেফতারের পর অভিষেককে নিম্ন আদালতে হাজির করানো হয়। বিচারক তাঁকে তিন দিনের পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন। গত ১৪ অগাস্ট অভিষেককে আদালতে ফের হাজির করা হলে নিম্ন আদালত তাঁর জামিনের আবেদন খারিজ করে দেয় এবং ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয়। গ্ৰেফতার হতেই সিএসবি অভিষেকের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে। ২০২৬-২৭ মরশুমের জন্য বাংলার সম্ভাব্য দল থেকে অভিষেককে বাদ দিয়েছে বাংলা ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা।

