Cal HC On Darivit Case: দাড়িভিট মামলার তদন্তভার নিয়ে এবার কলকাতা হাইকোর্টের কাছে ধাক্কা খেল রাজ্য সরকার। কী বলল আদালত? বিস্তারিত জানতে দেখুন সম্পূর্ণ ফটো গ্যালারি…
২০১৮ সালের দাড়িভিট কাণ্ডের ঘটনায় এবার কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের কাছে ধাক্কা খেল রাজ্য সরকার। কারণ, দাড়িভিটের ঘটনার তদন্তের জন্য হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ এনআইএ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল। রাজ্য সরকারের তরফে সেই রায় উপেক্ষা করে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিল। দীর্ঘ শুনানির পর মঙ্গলবার সেই মামলার রায় দান করেন আদালতের বিচারপতি।
25
দাড়িভিট কাণ্ডে কলকাতা হাইকোর্ট কোন নির্দেশ বহাল রাখল?
সূত্রের খবর, দাড়িভিটকাণ্ডে মঙ্গলবার দীর্ঘ শুনানির পর কলকাতা হাইকোর্টের সব্যসাচী ভট্টাচার্য এবং বিচারপতি সুপ্রতিম ভট্টাচার্যর ডিভিশন বেঞ্চ রাজ্য সরকারের আবেদন খারিজ করে দেন। ফলে দাড়িভিটের ঘটনায় আগের রায়ই বহাল রাখল আদালত। মামলার তদন্ত করবে এনআইএ। এমনটাই স্পষ্ট জানিয়ে দিলো কলকাতা হাইকোর্ট।
35
কী ঘটেছিল দাড়িভিটে
জানা গিয়েছে, ২০১৮ সালের ২০ সেপ্টেম্বর উত্তর দিনাজপুরের দাড়িভিট হাইস্কুলে শিক্ষক নিয়োগকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল এলাকা। পুলিশ ও জনতার মধ্যে খণ্ডযুদ্ধ বাধে। সেইসময় গুলিবিদ্ধ হয়ে প্রাণ হারান ওই স্কুলের দুই প্রাক্তন পড়ুয়া রাজেশ সরকার ও তাপস বর্মণ। ওই ঘটনায় রাজ্য সরকারকে নিশানা করে বিজেপি দাবি করে, বাংলার বদলে ওই স্কুলে উর্দু শিক্ষক নিয়োগের প্রতিবাদে সরব হয়েছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পুলিশের গুলিতেই দুই যুবকের মৃত্যু হয় বলে অভিযোগ ওঠে। যদিও গুলি চালানোর অভিযোগ অস্বীকার করে পুলিশ।
এদিকে ২০২৩ সালের মে মাসে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার সিঙ্গল বেঞ্চ দাড়িভিটকাণ্ডে এনআইএ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল। এনআইএ তদন্তের নির্দেশ দেওয়ার সময় বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা বলেছিলেন, আবেদনকারীরা সিবিআই তদন্তের আবেদন জানিয়েছিলেন। কিন্তু, তথ্য খতিয়ে দেখে আদালত মনে করছে, এই ঘটনার তদন্তে উপযুক্ত সংস্থা হল এনআইএ।
55
এনআইএ-র হাতেই বহাল তদন্তভার
শুধু তাই নয়, মঙ্গলবার এই মামলার দীর্ঘ শুনানি শেষে দাড়িভিটকাণ্ডের তদন্তভার এনআইএ-র হাতেই বহাল রাখে আদালত। কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য এবং বিচারপতি সুপ্রতিম ভট্টাচার্যর ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ মামলার তদন্ত করছে এনআইএ। ফলে এতে কোর্ট কোনওরকম হস্তক্ষেপ করবে না। যারফলে বহাল রইল আগের রায়। খারিজ হয়ে গেলো রাজ্যের আবেদন।