আদালতের নির্দেশের পরও মিটিয়ে দেওয়া হয়নি প্রাপ্য, ডিআই-এর বেতন বন্ধের নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

Published : Jan 07, 2026, 10:31 AM IST

Calcutta High Court On Pension Issues: চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার পরও মেলেনি অবসরকালীন সুযোগ সুবিধা। প্রাপ্য পাওনার দাবিতে আদালতের দ্বারস্থ অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক। কী বলল কলকাতা হাইকোর্ট? বিস্তারিত জানতে দেখুন সম্পূর্ণ ফটো গ্যালারি…

PREV
15
আদালতের নির্দেশ অমান্য করায় কড়া পদক্ষেপ

আদালতের নির্দেশ অমান্য করায় এবার পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শকের (ডিআই) বেতন বন্ধের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। সূত্রের খবর, আদালতের নির্দেশ অমান্য করায় কড়া পদক্ষেপ কলকাতা হাইকোর্টের। পশ্চিম মেদিনীপুরের বৌলাসিনি বিবেকানন্দ হাইস্কুলের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক দেবব্রত হাইট দীর্ঘদিন আগে অবসরগ্ৰহণ করলেও তাঁর প্রাপ্য অবসরকালীন সুবিধা এখনও পাননি বলে অভিযোগ ওঠে। সেই মামলায় এবার কড়া নির্দেশ আদালতের। 

25
পেনশন না মেলায় কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ

এই বিষয়ে একাধিকবার পশ্চিম মেদিনীপুরের ডিআই অমিত রায়ের কাছে আবেদন করলেও কোনও সমাধান মেলেনি। বাধ্য হয়ে তিনি কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। এই মামলা চলাকালীন গত অক্টোবরেই তাঁর মৃত্যু হয়। এরপর তাঁর স্ত্রী অপর্না হাইট আবারও হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন।

35
অবসরকালীন সমস্ত বকেয়া মিটিয়ে দেওয়ার নির্দেশ

সূত্রের খবর, গত ২৫ নভেম্বর এই মামলার শুনানি হয় বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে। মামলাকারীর সমস্ত অভিযোগ শুনে বিচারপতি অমৃতা সিনহা গত বছরের ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে অবসরকালীন সমস্ত বকেয়া সুবিধা মিটিয়ে দিতে জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক অমিত রায়কে নির্দেশ দিয়েছিলেন।

45
ঠিক কী অভিযোগ উঠেছে?

অভিযোগ, আদালতের সেই নির্দেশের পরও দেবব্রত হাইটের অবসরকালীন বকেয়া সুবিধা মেটাননি পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক অমিত রায়। তাই বাধ্য হয়ে আবারও আদালতের শরণাপন্ন হন দেবব্রত হাইটের স্ত্রী অপর্না হাইট। মঙ্গলবার শুনানিতে এই অভিযোগ শুনে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। এরপরই বিচারপতি ডিআই-এর বেতন বন্ধের নির্দেশ দেন। নির্দেশে বিচারপতি বলেন, যতদিন না পর্যন্ত মৃত শিক্ষকের স্ত্রী তাঁর প্রাপ্য অবসরকালীন সুবিধা পাচ্ছেন, ততদিন পশ্চিম মেদিনীপুরের ডিআই কোনও বেতন তুলতে পারবেন না।

55
কলকাতা হাইকোর্টের কড়া হুঁশিয়ারি

এই নির্দেশ দিতে গিয়ে বিচারপতি সিনহা মন্তব্য করে বলেন যে, ‘’একজন রাজ্য সরকারি শিক্ষক তাঁর সারাটা জীবন সরকারি কাজে তথা শিক্ষকতায় দিয়ে গেলেন। অথচ তিনি অবসরকালীন কোনও সুবিধা পেলেন না। এমনকি তাঁর মৃত্যুর পরও তাঁর স্ত্রী সেই ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।''

Read more Photos on
click me!

Recommended Stories