জঙ্গিদের টার্গেট বিজেপি ইস্যুতে মুখ খুললেন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, ‘’মোদী ক্ষমতায় আসার পর থেকে জঙ্গি দমন শুরু হয়েছে। বিভিন্ন রাজ্যে জঙ্গি ঘাঁটি নিকেশ শুরু হয়েছে। ব্যতিক্রম ছিল পশ্চিমবঙ্গ। সেখানে জঙ্গিদের আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। এখন আশ্রয় সরে গেছে বলে শেষ কামড় দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। আমি নিউটাউনে থাকি। এখানে শাপুরজি আবাসনে বিভিন্ন সময়ে জঙ্গিরা ঘাঁটি গেড়ে ছিল। শুধু নেতা নয়। সাধারণ মানুষের জীবন মূল্যবান। তাদেরও সতর্ক থাকতে হবে। রাজনৈতিক ছাতা সরে যাওয়ায় ওরা মরিয়া হয়ে উঠেছে।''
25
টার্গেট উমেশ। গ্রেফতার আদিত্য।
‘’খাগড়াগড় থেকে পিংলা। মালদা থেকে মুর্শিদাবাদ। ১০ থেকে ১২ বছর ধরে রেপিস্ট আর টেরোরিস্ট দের সেফ হোম বানিয়ে রেখে দিয়েছিল। সেই কারণেই NIA কে সক্রিয় করা হয়েছে। এখন সব এজেন্সি মিলেমিশে কাজ করছে। আগে পুলিশের কাছে খবর থাকত না। অন্য রাজ্যের পুলিশ এখানে এসে এনকাউন্টার করে চলে যেত। এখানকার পুলিশ জানতেই পারত না।''
35
ক্ষুদিরাম টুডু সহ একাধিক নেতামন্ত্রী সাইবার অ্যাটাকের শিকার
‘’হাইটেক ব্যবস্থা কাজে লাগানো হচ্ছে। টুইন টাওয়ার বা মুম্বই তাজ অ্যাটাক। আধুনিক ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করা হয়েছে। তাই সতর্ক থাকতে হবে। আগেও সাধারণ মানুষ বলত। কেউ শুনত না। পুলিশের কাজ করার অভ্যাস নষ্ট হয়ে গেছে। সোর্স নষ্ট হয়ে গেছে।''
বিহারে নির্বাচনে প্রশান্ত কিশোরের জয় নিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘’রিগিং হলে উপনির্বাচনে শাসক দল জেতে। অবাধ নির্বাচন হলে মানুষ যাকে ভোট দেয় সে জেতে। হেরে গেলে ইভিএম কারচুপি। জিতে গেলে মানুষের রায় অস্বীকার করেন কেন সবাই?''
55
একা টুলু মণ্ডলের ২০০ কোটি! মিলল ডায়রি
‘’এরকম আরও মিলবে। এখনও ওনার ওপরে অনেকে আছে। আগের রেকর্ড ভাঙতে পারেনি। ডায়রি আছে মানে সব তথ্য পাওয়া যাবে। কয়লা বালি এবার রক্ত। অর্গান নিয়েও ব্যবসা করেছে তৃণমূল।''