‘’পশ্চিমবঙ্গের এই সরকার চাইনি বলে প্রায় ৯০০ কিলোমিটার সীমানায় কোন বেড়া ছিল না।স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের প্রচেষ্টায় এই কাজ হয়েছে এখনো প্রায় ২০০ কিলোমিটার বাকি আছে।জল জঙ্গল নদী আছে তাই হয়নি।রাজনাথ সিং এসেছিলেন বারবার টাকাও পাঠানো হয়েছে তাও হয়নি।রাজ্য সরকার জমি দেয়নি।মুখ্যমন্ত্রী বললেন আমরা জমি দিতে পারব না আপনারা কিনে নিন।যেখানে বেড়া নেই সেখানে অবৈধ কাজ চলে।আমি বহু জায়গায় গিয়ে বিএসএফের সঙ্গে চা খেয়েছি ঘুরে দেখেছি।দল দল জমির উপর দিয়ে পেট্রোলিং করাই সম্ভব হয় না।যেসব জটিল জায়গা আছে সেখানে এখনো অবৈধ কাজ হয়।বিএসএফের পক্ষে নয় এত ফোর্সও নেই।রাজ্য পুলিশের সহযোগিতা না পেলে এগুলো পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব নয়। তবুও মনে হচ্ছে খুব তাড়াতাড়ি রেজাল্ট পাব।''
26
যুবসাথি নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য দিলীপ ঘোষের
‘’যুবসাথি কেবল রাজনৈতিক প্রচারের জন্য। গরমে রোদ্দুরের মধ্যে লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছেন। ভাতা কবে পাবেন কেউ জানে না। এই ধরনের অমানবিক কাজ কেবল মাত্র ভোটের স্বার্থে মানুষকে লাইনে দাঁড় করানো ভিখারি বানানো তৃণমূল নির্বাচনের আগে এই ধরনের গিমিক দিয়ে থাকে।
36
কল্যাণ প্রসঙ্গে কী বললেন দিলীপ ঘোষ
তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন বিজেপিতে পয়সা দিলেই টিকিট পাওয়া যায়,সে প্রশ্নের দিলীপ ঘোষ বলেন,উনি টিকিট নেবেন কি? ওনাকে কি কেউ বলেছে টিকিট দেবো বলে।নাকি ওনার কাছে পয়সা বেশি আছে তার গরম দেখাচ্ছেন।বিজেপি একমাত্র দল যেখানে কয়েকবার স্ক্যানিং হয়।যারা টিকিট পায় তারা জানে।তৃণমূলে হতে পারে টাকা দিয়ে হয়তো টিকিট পায়।বিজেপিতে এমন ব্যবস্থা নেই।
ভোট আসার আগে থেকেই এখানে হিংসা শুরু হয়।মানুষ জিজ্ঞাসা করে ভোট দিতে পারব তো! গণনা ঠিকমত হবে তো! কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে তো! প্রশাসনের উপর কারো ভরসা নেই।কারণ তারাই রিগিং করে।আমরা দেখলাম এস আই আর সারা দেশে শেষ হয়ে গেল বাংলায় হচ্ছে না।দেড় কোটি মানুষকে লাইনে দাঁড় করালো। কে করলো? মানুষকে নোটিশ পাঠিয়েছে কারা? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কর্মচারীরা।তাতে সাধারণ মানুষরাও ভুগছেন।যাদের কোন কারণ ছিল না বয়স্ক মানুষরাও ভুগছেন
56
অবৈধ ভোটারদের নাম রাখার চক্রান্ত চলছে দাবি দিলীপ ঘোষের
প্রায় ৫০-৬০ লক্ষ লোক যাদের এখনো ডকুমেন্ট জমা পড়েনি ও ভোটার তাদের নাম রাখার জন্য চক্রান্ত করা হচ্ছে।ভেরিফিকেশন বন্ধ হয়ে গেলে তারা ঢুকে পড়বে। নির্বাচন কমিশন ঠিক করেছে কোন বৈধ ভোটার বাদ যাবে না আর অবৈধ ভোটার ও থাকবে না।
66
সরকারের অসহযোগিতার জন্যই প্রক্রিয়া দীর্ঘ হচ্ছে
এই সরকারের অসহযোগিতার জন্যই প্রক্রিয়া দীর্ঘ হচ্ছে।এসআইআর করতে দিচ্ছে না। ভোট কিভাবে করতে দেবে।মানুষের সুরক্ষার জন্যই কেন্দ্রীয় বাহিনী আসছে।নির্বাচন শেষ হওয়ার পরও কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। বাংলার সব কাজের জন্য কোর্টে যেতে হয়।চাকরি বাঁচাতে চাকরি পেতে ডিএ পেতে।দুর্গাপুজো করতে বিসর্জন দিতে।এস আই আর ও কোর্টের শেষ হবে।সরকার যদি তার দায়িত্ব পালন না করে তখন হস্তক্ষেপ করতে হয় আদালতকে এটাই পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে হচ্ছে।