
Wilson Champramary: ফের ভাঙন বিজেপিতে। আরও এক বিজেপির প্রাক্তন বিধায়কের ফুল বদল। আলিপুরদুয়ারের বিশাল লামাতেই ফের আস্থা রেখেছে বিজেপি। আর তাই ফের তাঁর পুরনো দলেই ফিরলেন কালচিনি (Kalchini)-র দুবারের বিধায়ক উইলসন চম্প্রামারি (Wilson Champramary)। আন্তর্দেশীয় চন্দন কাঠ পাচার চক্রের সঙ্গে জড়িয়ে গিয়েছিল তাঁর নাম। ২০১৯ সালে তৃণমূলের বিধায়ক থাকাকালীন কৈলাস বিজয়বর্গীয় ও মুকুল রায়ের হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন উইলসন। বছর তিনেক তৃণমূল করার পর বিজেপিতে যোগ দিয়ে এরপর নানা ইস্যুতে মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়কে তোপ দাগেন উইলসন চম্প্রামারি। একটা সময় তাঁর বিরুদ্ধে চন্দনকাঠ চুরি চন্দন কাঠ চুরির অভিযোগের বিরুদ্ধে বড় আন্দোলন করেছিল বিজেপি। সেই উইলসন চম্প্রামারি বিজেপি ছেড়ে ৬ বছর পর তৃণমূলে ফিরলেন। এবার আলিপুরদুয়ারের কালচিনিতে তৃণমূল প্রার্থী হিসাবে দাঁড় করিয়েছে বীরেন্দ্র বারা উরাওঁ -কে। সেখানে বিজেপি দাঁড় করেছে বিদায়ি বিধায়ক বিশাল লামা-কে।
দেখুন ভিডিও
গত তিনটি বিধানসভা ভোটে কালচিনি থেকে বিজেপি দাঁড় করাচ্ছে বিশাল লামাকে। তার মধ্যে ২০১৬ বিধানসভায় তৃণমূলের উইলসনের কাছে হেরেছিলেন বিশাল। তবে গত বিধানসভায় কালচিনিতে বিশাল জয় পায় বিজেপি। প্রায় ৩০ হাজার ভোটে তৃণমূলের পাসাং লামাকে হারিয়েছিলেন বিজেপির বিশাল লামা। এবার উইলসনকে নিয়ে জল্পনা করলেও বিশালকেই আস্থা দেখায় বিজেপি। হতাশায় ফের তৃণমূলেই ফিরলেন উইলসন। ২০১১ বিধানসভা নির্বাচনে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার সমর্থনে জিতে কালচিনিতে বিধায়ক হয়েছিলেন উইলসন। উইলসনের যোগদানে কালচিনিতে এবার বীরেন্দ্র-র জয় সহজ হবে বলে স্থানীয় তৃণমূলের একাংশ মনে করছে।
প্রসঙ্গত, আলিপুরদুয়ারে গত বেশ কয়েক বছর দরে বিজেপির দাপট। গত দুটি লোকসভা নির্বাচনে আলিপুরদুয়ারে বড় ব্যবধানে জেতে বিজেপি। গত বিধানসভায় জেলার সব কটি আসনেই জিতেছিল পদ্ম শিবির। গত বছর লোকসভা নির্বাচনেও এই জেলার সব কটি আসনেই লিড ছিল গেরুয়া শিবিরের। উত্তরবঙ্গের এই জেলায় মোট পাঁচটি বিধানসভা আসন আছে সেগুলি হল- কুমারগ্রাম, কালচিনি,আলিপুরদুয়ার,ফালাকাটা, মাদারিহাট। উপনির্বাচনে জিতে এখন মাদারিহাটে তৃণমূলের বিধায়ক আছে।