Kolkata Metro: বদলের বাংলায় ক্রমশ কাটছে মেট্রো জট। এবার পুজোর আগেই শুরু হতে চলেছে আরও একটি রুটে মেট্রো পরিষেবা। নিউ গড়িয়া থেকে সল্টলেক সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত চলতি বছরেই মেট্রো পরিষেবা শুরুর লক্ষ্য নিয়েছে মেট্রো কর্তৃপক্ষ। জানুন আরও বিশদে…
কলকাতার দক্ষিণ ও পূর্ব অংশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আনতে চলেছে মেট্রো রেল। নিউ গড়িয়া থেকে সল্টলেক সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত অরেঞ্জ লাইনের সম্প্রসারিত অংশে চলতি বছরেই পরিষেবা চালুর লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। মেট্রো রেল সূত্রে খবর, আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে এই অংশে মেট্রো চালানোর প্রস্তুতি চলছে।
26
কোথা থেকে কত পর্যন্ত পরিষেবা চালু হবে?
নিউ গড়িয়া থেকে সল্টলেক সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত পরিষেবা চালু হলে দক্ষিণ কলকাতা ও সল্টলেকের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যপ্রযুক্তি এলাকার মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ তৈরি হবে। বর্তমানে সড়কপথে দীর্ঘ সময় লাগলেও মেট্রো চালু হলে এই যাত্রাপথ প্রায় ৩৫ মিনিটে সম্পন্ন হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। ফলে প্রতিদিনের অফিসযাত্রীদের জন্য এই পরিষেবা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
36
জোরকদমে চলছে চিংড়িঘাটায় কাজ
এই প্রকল্পের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ চিংড়িঘাটা এলাকার ‘মিসিং লিঙ্ক’। প্রায় ৩৬৬ মিটার দীর্ঘ এই অংশের অধিকাংশ কাজ ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে। রেল বিকাশ নিগম লিমিটেডের তরফে প্রায় ৩৩৫ মিটার কাজ সম্পূর্ণ হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। বাকি রয়েছে প্রায় ৩১ মিটার অংশের কাজ।
মেট্রোরেল সূত্রে খবর, এদিকে, অরেঞ্জ লাইনের নতুন করিডরের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন - সল্টলেক সেক্টর ফাইভ, নলবন এবং গৌরকিশোর ঘোষ—এর নির্মাণকাজও সম্পন্ন হয়েছে। ফলে প্রকল্পটি এখন শেষ পর্যায়ের দিকে।
56
কবে থেকে শুরু হচ্ছে নতুন মেট্রো পরিষেবা?
তবে যাত্রী পরিষেবা চালুর আগে কমিশনার অফ রেলওয়ে সেফটির পরিদর্শন ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন নিতে হবে। সমস্ত প্রক্রিয়া নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন হলে চলতি বছরের শেষেই নিউ গড়িয়া থেকে সল্টলেক সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত মেট্রো পরিষেবা শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
66
পার্পল লাইন প্রকল্পের কাজও এগোচ্ছে
অরেঞ্জ লাইনের পাশাপাশি কলকাতা মেট্রোর পার্পল লাইন প্রকল্পের কাজও এগোচ্ছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, জোকা থেকে ইডেন গার্ডেন্স পর্যন্ত এই করিডরে পরিষেবা চালুর উদ্যোগ রয়েছে এবং ২০২৯ সালের মধ্যে জোকা-এসপ্ল্যানেড অংশ চালুর লক্ষ্য রয়েছে। নিউ গড়িয়া-সেক্টর ফাইভ মেট্রো চালু হলে দক্ষিণ কলকাতা, চিংড়িঘাটা, সল্টলেক এবং সেক্টর ফাইভের মধ্যে যাতায়াত আরও সহজ ও দ্রুত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।