Kolkata Police On CJP Protest: নিটের সঙ্গে সম্পর্ক নেই। নেই শিক্ষাজগতের সঙ্গে কোনও সম্পর্ক। তবুও গত শুক্রবার কলকাতার ধর্মতলায় ককরোচ জনতা পার্টি বাম মনোভাবাপন্ন (CPIM) ছাত্র সংগঠনের আন্দোলনের ঢুকে অশান্তির চেষ্টার অভিযোগে গ্রেফতার আরও ২ জন। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মোট ধৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১৬ জন।
কলকাতায় বাম ছাত্র-যুবদের মিছিলে হামলা, সাংবাদিকদের মারধরের ঘটনায় গ্রেফতার ১৬ জন।, ধৃতদের মূল স্পটে নিয়ে গিয়ে ঘটনার পুননির্মাণ পুলিশের। সূত্রের খবর, নিট এর প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে ধর্মতলায় এক সুবিশাল প্রতিবাদ মিছিলে শামিল হয় বামপন্থীদের ছাত্র ও যুব সংগঠন। দলীয় পতাকা ও ব্যানার ছাড়া মিছিলে যোগ দেয় 'ককরোচ জনতা পার্টি'-র কলকাতা শাখা সহ বেশ কিছু নাগরিক প্ল্যাটফর্ম ও সাধারণ মানুষ। তবে মিছিলের শেষলগ্নে এক অনভিপ্রেত ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ধর্মতলা চত্বর। প্রতিবাদ মিছিল শেষে হঠাৎই কিছু দুষ্কৃতী ও সমাজবিরোধী গোষ্ঠী গোলমাল পাকানোর চেষ্টা করে। কর্তব্যরত সাংবাদিকদের ওপর আচমকা চড়াও হয়ে তাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয় এবং শারীরিক ও মানসিকভাবে হেনস্থা করা হয় বলে অভিযোগ। বাদ পড়েননি সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরা পার্সনরাও। এ ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায় গোটা এলাকায়।
ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই দ্রুত পদক্ষেপ করে কলকাতা পুলিশ। সাংবাদিকদের ওপর হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে ইতিমধ্যেই ১৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। লালবাজার সূত্রের খবর, সিসিটিভি ফুটেজ ও ভাইরাল হওয়া ভিডিও ক্লিপ দেখে অভিযুক্তদের চিহ্নিত করা হয়েছে।
তদন্তের গতি বাড়াতে এবং ঘটনার প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটন করতে সোমবার ধৃতদের মধ্যে কয়েকজনকে সোজা ধর্মতলার সেই অকুস্থলে নিয়ে আসে কলকাতা পুলিশের একটি বিশেষ দল।পুলিশ কর্তারা অভিযুক্তদের দিয়ে গোটা ঘটনার পুনর্নির্মাণ করান। হামলাকারীরা কার নির্দেশে সেখানে এসে পৌঁছাল, তাদের প্রকৃত উদ্দেশ্য কী ছিল এবং আন্দোলনের সুযোগ নিয়ে তারা কীভাবে এই অরাজকতা সৃষ্টি করল, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।
Kolkata against Anti Nationals. Today's public protest against CPIM-CJP gang who took to open rioting just two days ago. pic.twitter.com/9KooZUT2PV
— Sudhanidhi Bandyopadhyay (@SudhanidhiB) July 27, 2026
সাংবাদিকদের ওপর এমন নজিরবিহীন আক্রমণের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে রাজ্যের সাংবাদিক মহল। অন্যদিকে, আন্দোলনকারী সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার পেছনে আসল আন্দোলনকে কালিমালিপ্ত করার চক্রান্ত থাকতে পারে। অভিযুক্তদের উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানিয়েছে সর্বস্তরের মানুষ।
As Shri @dpradhanbjp Ji submitted his resignation as the Union Minister of Education today, my heart is heavy. Public life often demands difficult decisions, but the contributions he has made towards nation-building will endure for generations.
His tenure was defined by…— Suvendu Adhikari (@SuvenduWB) July 25, 2026
আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।