
Kolkata Shootout News: কলকাতায় ফের মধ্যরাতে শুটআউট! তিলজলায় যুবককে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে পরপর গুলি করার অভিযোগ উঠেছে দুস্কৃতীদের বিরুদ্ধে। শহরের বুকে ফের চলল গুলি। সামান্য বচসা, আর তার জেরেই এক যুবককে লক্ষ্য করে এলোপাথারি গুলি চালানোর অভিযোগ উঠল তিলজলায়। ২ পায়ে ৩টি গুলি নিয়ে বর্তমানে হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন আক্রান্ত যুবক। পুলিশ সূত্রে খবর, রক্তাক্ত অবস্থায় রাতেই তাকে SSKM হাসপাতালের ট্রমা কেয়ার সেন্টারে ভর্তি। কারা কেন হঠাৎ গুলি চালালো তা জানতে গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে খবর, আহত যুবকের নাম মহম্মদ নিয়াজ। সোমবার সন্ধ্যা নাগাদ মহম্মদ নিয়াজের সঙ্গে কোনও কারণে বচসা বাঁধে মহম্মদ সলমনের। একপর্যায়ে সেই বচসা চরমে উঠলেও পরে স্থানীয় বাসিন্দাদের হস্তক্ষেপে তা মিটেও যায়। কিন্তু থেকে যায় আক্রোশ। সূত্রের খবর, রাগের বশে মাঝরাতে মহম্মদ নিয়াজকে লক্ষ্য করে পরপর পাঁচ থেকে ছয় রাউন্ড গুলি চালায় মহম্মদ সলমন।
আর তাতেই রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়ে ওই যুবক। স্থানীয়রাই গুলির আওয়াজে বাইরে বেরিয়ে এসে তড়িঘড়ি মহম্মদ নিয়াজকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করে। আরও জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত মহম্মদ সলমন আগে থেকেই অপরাধ জগতের সঙ্গে যুক্ত। চুরি-ডাকাতি এবং আগেও তার নাম রয়েছে পুলিশের খাতায়। যদিও ঘটনার পর থেকেই ফেরার সে। অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।
এদিকে, প্রথম শ্রেণীর ছাত্রীকে খাওয়ার লোভ দেখিয়ে যৌন নির্যাতন। ঘটনাটি ঘটেছে বারুইপুর থানা এলাকায়। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাকে বারুইপুর মহাকুমা আদালতে পেশ করা হয়। তার বিরুদ্ধে পকসো আইনে মামলার রুজু করেছে পুলিশ।
নির্যাতিতার পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নাবালিকা ওই শিশু স্কুল থেকে বাড়ি ফিরছিল। রাস্তায় বৃদ্ধার দোকান। শিশুটিকে বাতাসা খাওয়ার লোভ দেখানো হয়। খাওয়ানোর নাম করে তাকে যৌন নির্যাতন করা হয় দোকানের ভিতরে নিয়ে গিয়ে। শিশুটির মা খোঁজ শুরু করে। সন্তানের খোঁজে স্কুলের দিকে যেতে শুরু করেন। সেই সময় দোকানের পাশে মেয়ের জুতো পড়ে থাকতে দেখে তার সন্দেহ হয়।
দোকানের ভেতরে ঢুকে দেখেন তার মেয়েকে শারীরিক নির্যাতন করা হচ্ছে। সঙ্গে সঙ্গে চিৎকার করেন তিনি। চিৎকার শুনে দৌড়ে আসে প্রতিবেশীরা। খবর দেওয়া হয় বারুইপুর থানায়। পুলিশ এসে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে। নাবালিকার শারীরিক পরীক্ষা করা হয়েছে। আদালতে গোপন জবানবন্দীর আবেদন জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনার তদন্ত চলছে বলে বারুইপুর থানার পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।
আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।