শীতের মধ্যেই বাংলায় ভয় ধরাচ্ছে নিপার কামড়! কীভাবে সংক্রমণ ছড়াচ্ছে এই ভাইরাস?

Published : Jan 18, 2026, 07:11 AM IST
virus

সংক্ষিপ্ত

Nipa Virus Infection Update: এই ভাইরাস সরাসরি থাবা বসাতে পারে মানুষের মগজে। বিকল করে দেয় স্নায়ুতন্ত্রকে। মাথায় রক্ত জমে যেতে পারে। খিঁচুনি শুরু হয়। ধীরে ধীরে কোমায় চলে যেতে পারে মানুষ। বিশদে জানতে পড়ুন সম্পূর্ণ প্রতিবেদন… 

Nipa Virus Update: নিপা ভাইরাস মস্তিষ্কে মারাত্মক এনসেফালাইটিস (মস্তিষ্কের প্রদাহ) সৃষ্টি করে। যা রোগীর মৃত্যু বা স্থায়ী স্নায়বিক ক্ষতি করতে পারে। বাঁচার আশা নির্ভর করে দ্রুত রোগ নির্ণয় ও সহায়ক চিকিৎসার ওপর, তবে এর মৃত্যুহার (৪০-৭৫%) অত্যন্ত বেশি এবং কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষেধক বা ভ্যাকসিন নেই, তাই প্রতিরোধ (সংক্রমিত ফল ও পশুর থেকে দূরে থাকা) সবচেয়ে জরুরি। এটি মূলত বাদুড় থেকে মানুষে ছড়ায় এবং মানুষ থেকে মানুষেও সংক্রমিত হতে পারে, যার ফলে গুরুতর শ্বাসকষ্ট ও স্নায়বিক সমস্যা দেখা দেয়।

নিপা ভাইরাসের প্রভাব ও লক্ষণ?

* মস্তিষ্কে আক্রমণ: ভাইরাসটি সরাসরি মস্তিষ্কে আক্রমণ করে, যা মস্তিষ্কের টিস্যুতে তীব্র প্রদাহ (এনসেফালাইটিস) ঘটায়।

* স্নায়বিক ক্ষতি: এর ফলে স্মৃতিশক্তি হ্রাস, খিঁচুনি, ব্যক্তিত্বের পরিবর্তন, জ্ঞান হারানো এবং এমনকি কোমা হতে পারে।

* শ্বাসকষ্ট: গুরুতর ক্ষেত্রে কাশি, শ্বাসকষ্টের মতো ফ্লু-এর মতো লক্ষণ দেখা দিতে পারে।

* মৃত্যুহার: সংক্রমণের ফলে প্রায় ৪০-৭৫% রোগীর মৃত্যু হতে পারে, যা অঞ্চলভেদে পরিবর্তিত হয়।

বাঁচার সম্ভাবনা ও চিকিৎসা:

* সহায়ক চিকিৎসা: বর্তমানে নিপাহ ভাইরাসের কোনো নির্দিষ্ট চিকিৎসা বা ভ্যাকসিন নেই। এর চিকিৎসা মূলত সহায়ক (supportive care), যার মধ্যে বিশ্রাম, জলীয় উপাদান সরবরাহ এবং লক্ষণ অনুযায়ী চিকিৎসা অন্তর্ভুক্ত।

* দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব: যারা বেঁচে যান, তাদের মধ্যে অনেকেরই স্মৃতিভ্রংশ, জ্ঞানীয় ক্ষমতা হ্রাস, খিঁচুনি এবং ব্যক্তিত্বের পরিবর্তন (long-term neurological sequelae) দেখা দিতে পারে।

* সুপ্ত অবস্থা: ভাইরাসটি survivors-দের শরীরে dormant অবস্থায় থাকতে পারে এবং বহু মাস বা বছর পরে পুনরায় সক্রিয় হতে পারে, যা পুনরায় মৃত্যুর কারণ হতে পারে।

সংক্রমণ ও প্রতিরোধ:

* সংক্রমণের উৎস: বাদুড়ের লালা বা প্রস্রাব দ্বারা দূষিত ফল (যেমন, খেজুরের কাঁচা রস) খাওয়া এবং সংক্রামিত প্রাণী (যেমন, শূকর) থেকে মানুষে ছড়ায় (spillover)।

* মানুষ থেকে মানুষে সংক্রমণ: আক্রান্ত ব্যক্তির থেকে অন্য সুস্থ মানুষের শরীরে সরাসরি এই ভাইরাস ছড়াতে পারে।

* প্রতিরোধ: যেহেতু কোনো চিকিৎসা নেই, তাই দূষিত ফল ও বাদুড় থেকে দূরে থাকা, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিই প্রতিরোধের প্রধান উপায়।

গুরুত্বপূর্ণ দিক:

* এটি একটি RNA ভাইরাস, যা দ্রুত মিউটেট করতে পারে এবং মানব-থেকে-মানব সংক্রমণে আরও বেশি সংক্রামক হয়ে উঠতে পারে, যা ভবিষ্যতের মহামারীর কারণ হতে পারে।

* বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এটিকে একটি অগ্রাধিকার রোগ হিসেবে চিহ্নিত করেছে এবং এর গবেষণা ও উন্নয়নের ওপর জোর দিয়েছে।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।

PREV
Read more Articles on
click me!

Recommended Stories

রবিবার সিঙ্গুরে নরেন্দ্র মোদীর সভা, এদিকে বন্ধ থাকবে দ্বিতীয় হুগলি সেতু
Today live News: অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ২০২৬ - বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে বাংলাদেশকে উড়িয়ে দিল ভারত