শুক্রবার দুপুরে ভূমিকম্পে দুলে উঠল কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকা। দুপুরে প্রবল আতঙ্ক ছড়ায় কলকাতা-সহ বিস্তীর্ণ এলাকায়। ভূমিকম্পের কারণে মধ্যকলকাতার একটি বহুতল হেলে পড়েছে বলেও জানিয়েছে দমকল। 

শুক্রবার দুপুরে ভূমিকম্পে দুলে উঠল কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকা। দুপুরে প্রবল আতঙ্ক ছড়ায় কলকাতা-সহ বিস্তীর্ণ এলাকায়। ভূমিকম্পের কারণে মধ্যকলকাতার একটি বহুতল হেলে পড়েছে বলেও জানিয়েছে দমকল। এদিন দুপুরে ভূমিকম্পের কারণে কয়েক মিনিটের জন্য প্রায় স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল তিলোত্তমা।

কলকাতায় ভূমিকম্প

শুক্রবার দুপুর ১টা ২২ মিনিটে কেঁপে উঠেছিল কলকাতা। কম্পন অনুভূত হয় অন্যান্য জেলাতেও। ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল পশ্চিমবঙ্গের টাকি থেকে প্রায় ২৬ কিলোমিটার দূরে বাংলাদেশের খুলনা জেলায়। মার্কিন ভূতত্ত্ব পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা অনুযায়ী রিখটার স্টেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৫.৩। উৎপত্তিস্থল মাটি থেকে ৯.৮ কিলোমিটার গভীর। ভারতের ন্যাশানাল সেন্টার ফর সিসমোলজি জানিয়েছে, কম্পনের মাত্রা ছিল ৫.৫। ২-৩ সেকেন্ড স্থায়ী হয়েছিল ভূমিকম্প। কিন্তু তাতেই প্রচন্ড পরিমানে আতঙ্ক ছড়ায় কম্পন-গ্রস্ত এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে।

বাড়ি হেলে পড়ে

এদিন ভূমিকম্পের ফলে কলকাতায় হেলে পড়ে একটি বাড়ি। মধ্য কলকাতার একটি বহুতলে রীতিমত আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়েই গণেশচন্দ্র অ্যাভিনিউ লাগোয়া ৩৪এ মেটাকাফ স্ট্রিটের বাড়র সামনে পৌঁছে যায় দমকল। তবে বহুতলের বাসিন্দা ও স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বাড়িটির এই অংশ দীর্ঘ দিন ধরেই একই অবস্থায় ছিল। তারা হেলে পড়ার বিষয়টা জানেন। তাই চিন্তার কোনও কারণ নেই। তবে বাড়িটির কোনও ক্ষয়ক্ষতি না হওয়ায় কিছু সময়ে সেখানে থেকেই এলাকা ছাড়েন দমকল কর্মীরা। বহুতলটি হেলে পড়েছে এমন কোনও ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।

ভূমিকম্পের কারণে এদিন কলকাতায় অফিস , বহুতল, শপিং মল ছেড়ে অনেকেই বাইরে বেরিয়ে আসেন। রাস্তায় ভিড় জমে যায়। মহানগরী বেশ কিছু সময়ের জন্য প্রায় স্তব্ধ হয়ে যায়। কলকাতার পাশাপাশি একাধিক জেলাতেও কম্পন অনুভূত হয়।