'মুখ্যমন্ত্রীকে কিছু করতে হবে না, ওঁর পুলিশই প্রমাণ লোপাট করেছে'- বিস্ফোরক নির্যাতিতার বাবা

Published : Jan 22, 2025, 12:35 PM IST
rg kar

সংক্ষিপ্ত

আরজি কর মেডিকেল কলেজ ধর্ষণ এবং খুনের মামলায় সিভিক ভলেন্টিয়ার সঞ্জয় রায়কে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। নির্যাতিতার বাবা মুখ্যমন্ত্রীর সমালোচনা করে বলেন, তিনিই সমস্ত তথ্য প্রমাণ লোপাট করেছেন।

আরজি কর মামলায় সঞ্জয় রায়কে আমৃত্যু কারাদণ্ডের নির্দেশ দিল আদালত। আরজি কর মেডিকেল কলেজ ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত সিভিক ভলেন্টিয়ারকে শনিবারই দোষী সাব্যস্ত করে আদালত। আমৃত্যু কারাদণ্ড রায় দেয় আদালত।

তার আগেই আরজি করের নির্যাতিতার বাবা বিস্ফোরক মন্তব্য করেন। তিনি আগেও এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, দোষীদের মাথায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত আছে। ফের মন্তব্য করেন নির্যাতিতার বাবা। তিনি বলেন, আমরা রায়ের কপি হাতে পেলে সিদ্ধান্ত নেব। মুখ্যমন্ত্রীকে অত ব্যস্ত হয়ে এগিয়ে এসে কিছু করতে হবে না। কারণ এসে কিছু করতে হবে না। কারণ এতদিন অনেক করেছেন আর যেন উনি কিছু না করেন। এটাই ওঁর কাছে আমাদের অনুরোধ।

তিনি আরও বলেন, মুখ্যমন্ত্রী অনেক কথা বলতে পারেন। উনিই তো সমস্ত তথ্য প্রমাণ লোপাট করেছেন। ওনার পুলিশ কমিশনার, ডেপুটি পুলিশ কমিশনার উপস্থিত থেকে সমস্ত অন্যায়গুলো করেছে। পুলিশ এগুলো দেখতে পাচ্ছে না? আমাদের হাতে রায়ের কপি আসুক তারপরে দেখে সব সিদ্ধান্ত নেব।

মঙ্গলবার তিনি বলেন, বিচারকের ওপর আমরা পূর্ণ আস্থা রেখেছিলাম, বিচারক সেই আস্থা রেখেছেন। সিবিআই দোষী সাব্যস্ত সঞ্জয়ের বিরুদ্ধে ঠিকমতো তথ্য প্রমাণ দিতে পারেনি বলেই তার মৃত্যুদণ্ড হয়নি। তার বদলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন।

এদিন আদালতের পক্ষ থেকে নির্যাতিতার পরিবারকে ১৭ লক্ষ টাকা দেওয়ার কথা জানিয়েছিল। কিন্তু, সে টাকা নিতে অস্বীকার করেছে নির্যাতিতার বাবা-মা। আমার মেয়েকে বিকিয়ে দিতে আসেনি। আমরা এখানে বিচার চাইতে এসেছি।

এর আগেও মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করেছিলেন নির্যাতিতার বাবা। তিনি বলেছিলেন, সবাই জানে এই বিষয়। স্বাস্থ্য মন্ত্রী যিনি তিনিও জানেন। স্পষ্ট করে বলব? তিনি আমাদের মুখ্যমন্ত্রী। ফেসবুকে একটা পোস্ট ছড়িয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে রাজ্য চায়নি তাই মেয়েটা বিচার পায়নি। মানুষ এমনি এমনি পোস্ট তৈরি করেনি। আমার মেয়ে কর্মরত অবস্থায় খুন হয়েছে। এতে স্বাস্থ্য মন্ত্রীর দায় আছে। প্রতিষ্ঠানে যে খুন হয়েছে তার দায় তাঁকে নিতে হবে। ঘটনার দিন রাত ২টো পর্যন্ত উনি জেগে সব মনিটারিং করেছে। আমার যখন সেখানে পৌঁছাই সেখানে গিয়ে সিপি এবং এসিপি দেখেছি। লোকাল এমএলএ-ও ছিল। আমাদের সঙ্গে কোনও কথা বলেনি। তাদের সঙ্গে দেড় ঘন্টা মিটিং করেছে। ৯ তারিখ যুবলি বিল্ডিং-এ মিটিং করেছে।

 

PREV
click me!

Recommended Stories

TMC Vs. TMC: শপথ নিয়েই বিস্ফোরক কুণাল ঘোষ! ‘তাপস-সজলকে দল ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছিল’, নিশানা কে?
Kalyan Banerjee: 'অন্ধকার করে দেব, জেল খাটাব, এই মুখ্যমন্ত্রীকে...' সরকার আসতে না আসতেই চরম হুমকি কল্যাণের!