SC On Abhishek Banerjee: বিলবোর্ড খোলার মামলায় সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা তৃণমূলের, কী বলল আদালত?

Published : Sep 07, 2026, 09:25 PM IST
supreme court tmc rebel mps abhishek banerjee disqualification petition om birla notice

সংক্ষিপ্ত

SC On Abhishek Banerjee: রাজ্যের হয়ে সওয়াল করা সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা আদালতে পাল্টা বলেন, মামলাকারী আইনজীবী যা বলছেন, সেটা তাঁর কলকাতা হাইকোর্টে জানানো উচিত। তখন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, বিলবোর্ডটি তো ইতিমধ্যেই সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

SC On Abhishek Banerjee: ক্যামাক স্ট্রিটে বিলবোর্ড খোলার মামলায় সুপ্রিম কোর্টেও ধাক্কা তৃণমূলের। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে কোনরকম হস্তক্ষেপ করল না সুপ্রিম কোর্টও। মামলা হাইকোর্টে ফেরত পাঠিয়ে দ্রুত নিষ্পত্তির পরামর্শ প্রধান বিচারপতির বেঞ্চের। ৯ ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এর অফিস রয়েছে যে বহুতলে, সেই বহু তলের মাথায় লাগানো তৃণমূলের নামাঙ্কিত বিলবোর্ড খুলে দেয় কলকাতা পুরসভা। বিল বোর্ড খোলা কে কেন্দ্র করে পুরসভার আধিকারিক পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন অভিষেক তথা তৃণমূলের অনুগামীরা। তৃণমূলের অভিযোগ, বিলবোর্ড খোলা নিয়ে আগে থেকে কোনও নোটিশ দেওয়া হয়নি। তাড়াহুড়ো করে এটি খুলে দেওয়া হয়েছে। তাদের কোনও বক্তব্যই শোনা হয়নি। সেই নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দারস্ত হয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস।

কী বলছে সুপ্রিম কোর্ট?

কালীঘাট তৃণমূলের কোনও আবেদনেই সাড়া দেয়নি কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি রাজা বসু চৌধুরীর অন্তর্বর্তী কোনও নির্দেশ দেননি। হাইকোর্টের যুক্তি ছিল, যেহেতু বিলবোর্ডটি আগেই সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, তাই আদালত কোনও অন্তর্বর্তী নির্দেশ দেবে না। এখন বিলবোর্ডটি লাগিয়ে দিতে বললে, তা চূড়ান্ত রায়ের সমান হবে। তৃণমূল আবেদন ছিল, বিলবোর্ড সরানোর সময় পুরসভার যে আধিকারিক, পুলিশকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন, তাঁদের নাম, পদ, পরিচয় প্রকাশ করা হোক। এবং বিলবোর্ডটিও আগের জায়গায় লাগিয়ে দেওয়া হোক। কিন্তু, হাইকোর্ট সেই আবেদনে সাড়া দেয়নি।

এরপরই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় কালীঘাট তৃণমূল। কিন্তু শীর্ষ আদালতেও ধাক্কা খেল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়রা। হাইকোর্টের নির্দেশে কোনরকম হস্তক্ষেপ করল না সুপ্রিম কোর্টও। সোমবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চে এই মামলার শুনানি ছিল। মামলার শুনানিতে তৃণমূলের আইনজীবী কপিল সিব্বল আদালতে অভিযোগ করেন, যে বহুতলটিতে তৃণমূলের দফতর ছিল, তাতে দলের অধিকার রয়েছে। তাই সেখানে তারা বিলবোর্ড লাগাতেই পারে। কিন্তু পুরসভা বা পুলিশ আগাম কোনও নোটিশ না দিয়েই বিলবোর্ড সরিয়ে দিয়েছে। যা সম্পূর্ণ আইন বিরুদ্ধ।

রাজ্যের হয়ে সওয়াল করা সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা আদালতে পাল্টা বলেন, মামলাকারী আইনজীবী যা বলছেন, সেটা তাঁর কলকাতা হাইকোর্টে জানানো উচিত। তখন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী বলেন, বিলবোর্ডটি তো ইতিমধ্যেই সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রধান বিচারপতি বলেন, 'মামলাটিও তো কলকাতা হাইকোর্টে বিচারাধীন রয়েছে। এই অবস্থায় আমাদের করণীয় কী আছে?' তখন কপিল সিব্বল বলেন, 'মামলাকারীর কি আবিলবোর্ড খোলার মামলায় সুপ্রিম কোর্টেও ধাক্কা তৃণমূলেরগাম নোটিশ পাওয়ার কোনও অধিকার নেই? আগামী দিনে যেন এই ধরনের ঘটনা না ঘটে, তা আদালত নিশ্চিত করুক।'

দুই পক্ষের বক্তব্য শোনার পর প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছে, এই মামলায় সুপ্রিম কোর্ট কোনও হস্তক্ষেপ করবে না। মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তি করার জন্য হাইকোর্টকে পরামর্শ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।

PREV
Read more Articles on
click me!

Recommended Stories

Durga Puja Grant: বড় পুজোর অনুদান বন্ধ? কারা পাবে ১ লাখ টাকা? কী ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর?
Durga Puja 2026: দুর্গাপুজোয় আমিষ নয়? 'বাঙালি কী খাবে বাইরের কেউ ঠিক করবে না', বাগেশ্বর বাবাকে কড়া জবাব শমীকের!