
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগণনা চলছে। এর মধ্যেই নিজের দলের পারফরম্যান্স নিয়ে সোমবার আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা এবং নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি দাবি করেছেন, প্রাথমিক ট্রেন্ড অনুযায়ী বিজেপি ১৩০টির বেশি আসনে এগিয়ে আছে, আর তৃণমূল কংগ্রেস প্রায় ১০০টি আসনে।
শুভেন্দু জানান, ভবানীপুরে প্রথমদিকের রাউন্ডগুলিতে লড়াইটা হাড্ডাহাড্ডি হতে পারে। কিন্তু পরের রাউন্ডগুলির গণনার পর তিনি এগিয়ে যাবেন বলে আত্মবিশ্বাসী। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু বলেন, "বিজেপিই সরকার গড়ছে। প্রাথমিক ট্রেন্ডে বিজেপি ১৩৫ প্লাস, আর তৃণমূল প্রায় ১০০। ভবানীপুরে প্রথমদিকে লড়াইটা খুব ক্লোজ থাকবে। প্রথম রাউন্ডের ১৪টা বুথের মধ্যে ৬টা মুসলিম প্রধান। গতবার ওরা এখান থেকে ৯০-৯৫% ভোট পেয়েছিল, এবার সেটা হয়নি; একটা ফাটল ধরেছে। আমি ৮টা হিন্দু বুথে এগিয়ে আছি। ৯-১০ নম্বর রাউন্ড থেকে আমি ভবানীপুরে লিড নেব।"
শুভেন্দু আরও বলেন, "অ্যান্টি-ইনকাম্বেন্সি তো আছেই, তার ওপর পদ্ম চিহ্নের পক্ষে হিন্দু ভোট একজোট হয়েছে। এটা আমাদের জন্য খুব ভালো সঙ্কেত... মালদা, মুর্শিদাবাদ এবং উত্তর দিনাজপুরে মুসলিম ভোটের বিভাজনও হয়েছে।"
শুভেন্দু এএনআই-কে বলেন, "এবার হিন্দুরা একজোট হয়ে ভোট দিয়েছে। আর মুসলিমরা যেভাবে তৃণমূলকে ভোট দিত, এবার সেভাবে দেয়নি। কিছু ভোট মুসলিম-দরদী দলের দিকে গেছে। বিজেপিও অল্প কিছু পেয়েছে। নন্দীগ্রামের মুসলিম বুথে এত ভালো ফল আশা করিনি... প্রধানমন্ত্রী মোদীজির নেতৃত্বে বাংলা গড়ার যে গ্যারান্টি, তা তাঁর পক্ষেই গেছে। এত তাড়াহুড়োর কিছু নেই। আমি বেলা ১১টার পর আবার বলব।"
সকাল ৯টা নাগাদ পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের প্রাথমিক ট্রেন্ডে বিজেপি এবং তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্যে জোর টক্কর দেখা যাচ্ছিল। প্রাথমিক ট্রেন্ড অনুযায়ী, দুই দলই প্রায় ১১২টি আসনে এগিয়ে ছিল। যদিও নির্বাচন কমিশন তখনও পর্যন্ত কোনও প্রাথমিক ট্রেন্ড প্রকাশ করেনি।
অন্যদিকে তামিলনাড়ুতে, দ্রাবিড় মুন্নেত্রা কাঝাঘম (ডিএমকে) এআইএডিএমকে-নেতৃত্বাধীন জোটের থেকে সামান্য এগিয়ে ছিল। ডিএমকে প্রায় ৫৫টি আসনে এবং বিরোধী জোট প্রায় ২৫টি আসনে এগিয়ে ছিল।