
Pratik Ur Rahaman: সিপিআইএম (CPIM) ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে (AITC) যোগ দেওয়ার পর শনিবার প্রথম ভাষণ দিলেন প্রতীক উর রহমান। কলকাতার প্রাণকেন্দ্র ধর্মতলায় এসআইআর-এর (SIR West Bengal) প্রতিবাদে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) ধর্নামঞ্চে ভাষণ দিলেন প্রতীক উর। তিনি দলনেত্রীকে কুর্ণিশ জানিয়ে বললেন, 'ছোটবেলায় টিভিতে বিজ্ঞাপন দেখতাম, ডিডি গেঞ্জি, চোখ বন্ধ করে ভরসা করা যায়। পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে দিদি একটা ব্র্যান্ড। পশ্চিমবঙ্গের মানুষ চোখ বন্ধ করে ভরসা করেন।' প্রথম ভাষণেই দলনেত্রীর মন জয় করে নেন প্রতীক উর। মমতা তাঁকে বলেন, ''প্রতীক উর খুব ভালো বলেছো। এবার একটু জল খেয়ে নাও।' বামপন্থী রাজনীতিতে তরুণ লড়াকু নেতা হিসেবে পরিচিত হয়ে ওঠেন প্রতীক উর। এবার তিনি শাসক দলের নেতা হয়ে উঠেছেন।
প্রতীক উর আরও বলেন, 'যেদিন ভারত ভাগ হয়েছিল, তখন ভারতীয় মুসলমানরা জিন্নার চোখে চোখ রেখে বলেছিল, লাথি মারি তোর পাকিস্তানকে, এই দেশ আমার। বাংলার মুসলিমরা আজও এই দেশকেই নিজের দেশ বলে মনে করে। কী অদ্ভুত বিষয়, স্লোগান তোলা হচ্ছে হিন্দি, হিন্দু, হিন্দুস্তান, মুসলিম যাও পাকিস্তান। আর তাতে স্ট্য়াম্প দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India)। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যতদিন আছেন, ওরা জানে, পশ্চিমবঙ্গ জয় করা তো দূর, সীমানায় ঘেঁষতে পারবে না। কারণ জব তক টাইগার মরা নহি, তব তক টাইগার হারা নহি। বাংলার বাঘিনী এখনও জেগে আছেন। এই লড়াই যদি আমরা হেরে যাই, শুধু এই মানুষটি হেরে যাবেন না, ভারতে সংবিধান বিরোধীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের হার হবে। সংবিধান জিতলে দেশ জিতবে, মানুষ জিতবেন।'
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে (Gyanesh Kumar) আক্রমণ করে প্রতীক উর বলেন, 'ভ্যানিশ কুমার যতই চেষ্টা করুক না কেন, ভোটের পর বাংলার মানুষই বিজেপিকে ভ্যানিশ করে দেবে। জ্ঞানেশ কুমারের প্রচুর জ্ঞান, কাণ্ডজ্ঞানটুকু নেই শুধু। মানুষের কাজ করতে দায়বদ্ধ থাকার কথা যে কমিশন, সেটা করেন না। যেনতেন প্রকারেণ বিজেপি-র দালালি করতে হবে, মানুষকে হয়রান করতে হবে, বিজেপি-র স্লোগানকে পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে বাস্তবায়িত করতে হবে। তাই যত নাম আছে কেটে দাও।'
আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।