Lakshmir Bhandar scheme: রাজ্যের অর্থবরাদ্দের ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প। একই সঙ্গে জয় বাংলা প্রকল্পকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এই জাতীয় প্রকল্পগুলির ক্ষেত্রে ৩৩% পর্যন্ত তহবিল ছাড়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
নতুন অর্থবর্ষ ২০২৬-২৭, শুরুর আগেই প্রশাসনিক ও উন্নয়নমূলক খাতে ব্যায়ের জন্য আংশিক তহবিল ছাড়ের অনুমোদন দিয়েছে রাজ্য। শুক্রবার অর্থদফতর একটি নতুন বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। সেখানেই অর্থবরাদ্দের কথা জানান হয়েছে।
210
ভোট অন অ্য়াকাউন্ট
এপ্রিল মাসে ভোট। আর সেই কারণেই আগামী অর্থবর্ষের প্রথম চার মাসের জন্য ভোট-অন-অ্যাকাউন্টের ভিত্তিতেই বিভিন্ন খাতে নির্দিষ্ট হারে অর্থ প্রদান করা হয়েছে।
310
গুরুত্ব পেয়েছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প
রাজ্যের অর্থবরাদ্দের ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প। একই সঙ্গে জয় বাংলা প্রকল্পকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এই জাতীয় প্রকল্পগুলির ক্ষেত্রে ৩৩% পর্যন্ত তহবিল ছাড়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। যদিও মাসভিত্তিক খরচ বাস্তব প্রয়োজন অনুযায়ী সীমাবদ্ধ রাখতে হবে।
বিধানসভা নির্বাচনের আগেই বিধানসভায় বাজেট অধিবেশনে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের জন্য আর্থিক বরাদ্দ বৃদ্ধির ঘোষণা করা হয়েছিল। রাজ্য়ের অন্তর্বর্তী বাজেটে এই প্রকল্পের মাসিক ভাতা ৫০০ টাকা করে বাডডানো হয়েছে।
510
লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে টাকা বৃদ্ধি
এই বৃদ্ধির ফলে আগে সাধারণ শ্রেণির মহিলারা যেখানে ১০০০ টাকা পাতেন এখন তারা পাচ্ছেন ১৫০০ টাকা। আর তফসিলি জাতি ও উপজাতির মহিলারা যেখানে ১২০০ টাকা পেতেন এখন তারা পাচ্ছেন ১৭০০ টাকা। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই কার্যকর হয়েছে এই অতিরিক্ত ভাতা।
610
বাজেট বরাদ্দ বৃদ্ধি
২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের জন্য প্রায় ১৫০০০ কোটি টাকার বরাদ্দ রাখা হয়েছে। যা এই প্রকল্পের গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। যা বাজেটের প্রায় ৩৩ শতাংশ।
710
আরআইডিএফ সংক্রান্ত প্রকল্প
আরআইডিএফ সংক্রান্ত প্রকল্পগুলির জন্য ২৫% পর্যন্ত তহবিল ছাড়ের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। সব ক্ষেত্রেই সংশ্লিষ্ট দফতরকে নির্দিষ্ট আর্থিক নিয়ম মেনে ও অনুমোদিত প্রকল্পের আওতায় ব্যায় করতে বলা হয়েছে।
810
অর্থ দফতরের বিজ্ঞপ্তি
অর্থ দফতরের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় পাশ হওয়া ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল অ্যাপ্রোপ্রিয়েশন (ভোট-অন-অ্যাকাউন্ট) অ্যাক্ট, ২০২৬’-এর ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রাজ্যপালের অনুমোদন পাওয়ার পর এই আইন কার্যকর হয়েছে এবং ১ এপ্রিল ২০২৬ থেকে তা কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে।
910
৩৩ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়া হবে
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রশাসনিক ব্যয়ের ক্ষেত্রে বেতন, মজুরি, হাসপাতালের খাদ্য, ওষুধ, বিদ্যুৎ, টেলিফোন, ভাড়া ও কর-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ খাতে মোট বার্ষিক বরাদ্দের সর্বোচ্চ ৩৩ শতাংশ পর্যন্ত অর্থ ছাড়া হবে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতরের স্কলারশিপ ও স্টাইপেন্ডের ক্ষেত্রেও একই সীমা প্রযোজ্য থাকবে।
1010
২৫ শতাংশ তহবিল
বেতন-বহির্ভূত (নন-স্যালারি) খাতে ব্যয়ের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ পর্যন্ত তহবিল ছাড়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে প্রাকৃতিক দুর্যোগ সংক্রান্ত নির্দিষ্ট খাত এই নিয়মের বাইরে রাখা হয়েছে। পাবলিক সেক্টর ইউনিটগুলির কর্মীদের বেতন ও মজুরি মেটাতে ‘লোনস অ্যান্ড অ্যাডভান্সেস’ খাতে ৩৩ শতাংশ পর্যন্ত অর্থ ছাড়া যাবে। একই সঙ্গে পরিবহণ দফতরের অধীনে কর্মরত কর্মীদের বেতন, পেনশন ও অবসরকালীন সুবিধার জন্যও নির্দিষ্ট বরাদ্দ থেকে তহবিল ছাড়ের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
West Bengal News (পশ্চিমবঙ্গের খবর): Read In depth coverage of West Bengal News Today in Bengali including West Bengal Political, Education, Crime, Weather and Common man issues news at Asianet News Bangla.