মেয়ে হওয়ার কারণেই কি দুধের শিশুকে 'কুপিয়ে খুন', মায়ের কীর্তিতে চাঞ্চল্য রঘুনাথপুরে

Published : Oct 10, 2020, 03:51 AM IST
মেয়ে হওয়ার কারণেই কি দুধের শিশুকে 'কুপিয়ে খুন', মায়ের কীর্তিতে চাঞ্চল্য রঘুনাথপুরে

সংক্ষিপ্ত

সন্তানের জন্ম দিয়েছিলেন মাস দেড়েক আগে হাঁসুয়ার কোপে শিশুকন্যাকে 'খুন' মা-এর অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ নৃশংসতার সাক্ষী বহরমপুর  

কন্যা সন্তানের জন্ম দেওয়াও কি কম গৌরবের! তাহলে কেন এই নৃশংসতা? দেড় মাসের শিশুকে 'গলা কেটে খুন' করল মা! অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তদন্তকারীদের দাবি, জেরায় অপরাধ স্বীকারও করেছে ওই মহিলা। ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে। 

আরও পড়ুন: ভরদুপুরে বাড়িতে মিলল প্রৌঢ়ার গলা কাটা দেহ, আতঙ্ক ছড়াল দাসপুরে

অভিযুক্তের নাম চৈতালি মণ্ডল। বাড়ি, বহরমপুর থানার এলাকার রঘুনাথপুরে। বছর পাঁচেকের দাম্পত্যজীবন। স্বামী বিভাস পেশায় রাজমিস্ত্রি। স্থানীয় সূত্রে খবর, চলতি বছর অন্তঃস্বত্ত্বা হওয়ার পর বাপের বাড়িতে ছিল চৈতালি। মাস দেড়েক আগে একটি ফুটফুটে কন্যা সন্তানের জন্ম দেয় সে। কিন্তু মেয়েকে নিয়ে আর ফেরেনি শ্বশুরবাড়িতে। শুক্রবার সকালে সকলের নজর এড়িয়ে শিশুকন্যাকে নিয়ে বাথরুমে চলে ওই গৃহবধূ। আর তারপরে যা ঘটেছে, তা জানার পর শিউড়ে উঠেছেন সকলেই।

আরও পড়ুন: অভাবের তাড়নায় চরম সিদ্ধান্ত, দুধের শিশুকে চার হাজার টাকায় বিক্রি করল বাবা-মা

অভিযোগ, বাথরুমে ঢোকার পর হাঁসুয়া দিয়ে দুধে শিশুকে এলোপাথারি কোপ মারতে শুরু করে চৈতালি। ক্ষুদের কান্না আওয়াজ পেয়ে পরিবারের সদস্যরা যখন বাথরুমে ছুটে যান, তখন দেখেন, মেঝে রক্তাক্ত অবস্থায় পড় রয়েছে শিশুটি। আর পাশে বসে তার মা।  সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় থানায়। দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়। ঘটনাস্থল থেকে গ্রেফতার করা হয় অভিযপক্ত চৈতালি মণ্ডলকেও।  পুলিশ সূত্রে খবর, ওই গৃহবধূ আংশিক মানসিক ভারসাম্যহীন।  এমনকী, সন্তানকে খুনের পর আত্মহত্যারও পরিকল্পনা ছিল তার। তদন্তকারীদের দাবি, জেরা অপরাধ স্বীকার করেছে অভিযুক্ত।  স্রেফ মেয়ে হওয়ার কারণেই ক্ষোভ জন্মেছিল সন্তানের উপর? নাকি এই নারকীয় ঘটনা পিছনে অন্যকোনও কারণ আছে? তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

PREV
click me!

Recommended Stories

Sukanta Majumdar: ‘ভাইপোকে ওই ডিজেতে নাচ করাব!’ অভিষেককে চাঁচাছোলা আক্রমণ সুকান্তর
'নিজের ঘরে নিজেরাই আগুন লাগাচ্ছে', SIR ইস্যুতে মমতা সরকারকে তুলোধোনা মিঠুন চক্রবর্তীর