
Shantanu Sinha Biswas: শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের পৈত্রিক বাড়িতে আড়াই কোটির রহস্য! ১২ ঘণ্টা ইডির জেরার মুখে পড়ে কী দাবি করলেন কুলির ব্যবসায়ী দাউদ শেখ? জানুন আসল সত্যি।
Shantanu Sinha Biswas: আড়াই কোটির রহস্য! শান্তনু সিনহা বিতর্কে ইডির জেরার মুখে এবার ব্যবসায়ী দাউদ শেখ
শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের পৈত্রিক বাড়ি সংস্কারে খরচ হয়েছে প্রায় আড়াই কোটি টাকা! কিন্তু এই বিপুল অঙ্কের টাকা কোথা থেকে এল? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই এবার মুর্শিদাবাদের এক ব্যবসায়ীকে ম্যারাথন জেরা করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)।
ইডি সূত্রে খবর, কলকাতা পুলিশের ডিসি তথা কালীঘাট থানার প্রাক্তন আইসি শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের ছেলের ফার্মাসিস্ট অ্যাকাউন্টে আড়াই কোটি টাকা লেনদেনের তথ্য মিলেছে। ব্যাঙ্কের এই লেনদেনের সূত্র ধরেই তদন্তকারীদের রাডারে আসেন মুর্শিদাবাদের বড়ঞা থানার কুলি এলাকার বাসিন্দা দাউদ শেখ। ইতিমিধ্যেই ওই ব্যবসায়ীকে টানা ১২ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন কেন্দ্রীয় আধিকারিকরা। রামপুর এলাকায় দাউদ শেখের একটি পেপার ব্লক তৈরির কারখানাও রয়েছে।
কী বলছেন দাউদ শেখ? আর্থিক কেলেঙ্কারির এই চাঞ্চল্যকর অভিযোগে অবশ্য সম্পূর্ণ ভিন্ন দাবি করেছেন ব্যবসায়ী দাউদ শেখ। তাঁর বক্তব্য:
তিনি কোনো বেআইনি আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে যুক্ত নন এবং শান্তনু সিনহাকে এত টাকা তিনি দেননি।
শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের বাড়িতে কাজ করার সুবাদে তিন দফায় শুধু নিজের প্রাপ্য পারিশ্রমিকটুকু নিয়েছিলেন।
তাঁকে একটি ব্ল্যাঙ্ক চেকও দেওয়া হয়েছিল।
ঋণ নিয়ে তিনি নিজের ব্যবসা চালান এবং ইডি দফতরে হাজিরা দিয়ে সমস্ত প্রয়োজনীয় তথ্য ও নথি জমা দিয়ে এসেছেন।
কান্দি পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের জেমো বিশ্বাসপাড়ায় শান্তনু সিনহা বিশ্বাসের পৈত্রিক বাড়িটি গত দুই বছর ধরে নকশা বদলে সংস্কার করা হচ্ছিল। বর্তমানে সেই রাজকীয় বাড়িটি তালাবন্ধ। শান্তনুর বোন গৌরী সিনহা বিশ্বাস কান্দি পৌরসভার ভাইস চেয়ারম্যান। ফলে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মুর্শিদাবাদ জুড়ে ব্যাপক রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক আলোড়ন তৈরি হয়েছে। আড়াই কোটির এই বিপুল অঙ্কের আসল উৎস খুঁজতে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ও নথিপত্র খতিয়ে দেখছেন ইডি আধিকারিকরা।