BJP-TMCর বিরুদ্ধে তাঁর লড়াই। এই কথা জানিয়েও হুমায়ুন কবীর জানিয়েছেন আগামী দিনে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী তিনি। জনতা উন্নয়ন পার্টির ফলাফল নিয়েও আশাবাদী হুমায়ুন। কেন তিনি মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন তারও কারণ বলেছেন।
ভোটার আগেই ক্ষমতা দখল নিয়ে আত্মবিশ্বাসী হুমায়ুন কবীর। সম্প্রতি তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে গিয়ে নতুন দল জনতা উন্নয়ন পার্টি গঠন করেছেন। এবার তিনি আগামী বিধানসভা নির্বাচন জয়ের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী। তেমনই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
26
হুমায়ুন কবীরের হুঁশিয়ারি
ভরতপুরের বিধায়ক এবার প্রকাশ্যে জানিয়ে দিয়েছেন বিজেপির সমর্থনে তাঁর মুখ্যমন্ত্রী হতে কোনও আপত্তি নেই। তিনি আরও বলেছেন, 'ভোটে আমিই মুখ্যমন্ত্রী হবো। বিধানসভা নির্বাচনের পর আমি মুখ্যমন্ত্রী হবো।'
36
হুমায়ুন কবীরের বার্তা
হুমায়ুন কবীর নিজে মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পাশাপাশি বিধানসভা ভোটে তাঁর দল ভাল ফল করবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন। তিনি আরও বলেছেন, 'খেটেখুটে পরিশ্রম করে একটা দল গড়ে আমি ভোটে লড়ছি। মানুষ ভরসা করে আমাকে ভোট দেবে, ১০০ থেকে ১১০ আসনে আমি জিতব। একক বৃহত্তম দল আমার পার্টি হবে।'
হুমায়ুন কবীর বিজেপির সঙ্গে জোট গঠনের হুঁশিয়ারি দেন। তিনি বলেন, 'বিজেপি যদি ৯৯ আসন পায় তাহলে আমাকে তাদের মুখ্যমন্ত্রী মেনে নিতে হবে। সরকার গড়তে বিজেপির সমর্থন নিতে আমার আপত্তি নেই।' হুয়ামুন কবীরের বক্তব্য থেকে স্পষ্ট বিজেপির সঙ্গে বোঝাপড়া করেই নতুন দল তিনি গঠন করছেন। তেমনই মনে করছে রাজ্যের ওয়াকিবহাল মহল।
56
হুমায়ুন কবীরকে মুখ্যমন্ত্রী মেনে নেওয়ার কারণ
হুমায়ুন কবীর স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, তাঁকে বিজেপি মুখ্যমন্ত্র হিসেবে মেনে নেবে কেন? কারণ হিসেবে তিনি বিহারের উদাহরণ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, 'বিহারের নীতিশ কুমারতে দুই বার কম আসন পেয়েও মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন। অন্য কেউ ৯৯ পেলেও আমাকেই মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মেনে নিতে হবে। ভোটের পর রাজ্যপালের কাছে আমি ১৪৮ আসনের বেশি সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠনের দাবি জানাব।'
66
তৃণমূল কংগ্রেস কটি আসন পাবে?
বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস কটি আসন পাবে তা নিয়েও ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন হুমায়ুন কবীর। তিনি বলেছেন,'খুব বেশি হলে ৭০-৭৫ টি সিট পেতে পারে তৃণমূল কংগ্রেস। ভোটের পরে আমি সরকার গঠন করছি। তৃণমূল বিজেপির বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই। ভোটের পর যে কেউ যোগ দিতে পারে। '