লক্ষ্মীর ভাণ্ডার না পেয়ে এবার কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করা হয়। টানা ৬ মাস ধরে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা পাচ্ছেন না। আর সেই কারণে ভোটের আগেই রাজ্য সরকারের প্রকল্পের টাকার দাবিতে এবার কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
25
জনস্বার্থ মামলা
এবার লক্ষ্মীর ভান্ডার চেয়ে জনস্বার্থ মামলা হাইকোর্টে। ময়না বিধানসভার বাকচা ও গজিনা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় বন্ধ লক্ষ্মীর ভান্ডার। ৬ মাস বন্ধ লক্ষ্মীর ভান্ডার, টাকা পাচ্ছেন না সাত হাজারের বেশি উপভোক্তা। পাশাপাশি একাধিক পঞ্চায়েতেও টাকা না মেলার অভিযোগ। তা নিয়েই বাকচার স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যা সুনীতা মণ্ডল সাউ একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন।
35
স্থানীয়দের অভিযোগ
পূর্ব মেদিনীপুরের ময়না, সেখানে গোজিনা ও বাকচা এই দুই গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা বঞ্চিত লক্ষ্মীর ভান্ডার থেকে। গত বছরের শেষের দিকেই এই সমস্ত এলাকা থেকে অভিযোগ ওঠে, ওই এলাকার বহু মহিলা লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা পাচ্ছেন না। দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে মিলছে না লক্ষ্মীর ভাণ্ডার। কিন্তু কেন?
জানা গিয়েছে, এই দু’টি গ্রাম পঞ্চায়েত বিজেপির দখলে। সেই কারণেই কি বন্ধ লক্ষ্মীর ভান্ডার? প্রশ্ন তুলে মাসখানেক আগে ময়না বিডিও অফিসে ডেপুটেশন দেয় মহিলারা। অভিযোগ, বিজেপি সমর্থক হওয়ার কারণেই তাঁরা সরকারি প্রকল্পের টাকা পাচ্ছেন না। এবার এই মামলার জল গড়ল আদালত পর্যন্ত।
55
লক্ষ্মীর ভাণ্ডার
রাজ্যের সবথেকে জনপ্রিয় প্রকল্পগুলির মধ্যে একটি হল লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প। এই প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্য সরকার মাসে মাসে মহিলাকে ১ হাজার আর পিছিয়ে পড়া মহিলাদের মাসে ১৫০০ টাকা দেয়। সূত্রের খবর রাজ্যের প্রায় ২ কোটি মহিলা উপকৃত হন। মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের ভোট ব্যাঙ্কের সাফল্যের একটি বড় অংশই হল লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প।