
Malda Death News: চেন্নাইতে মালদহের পরিযায়ী শ্রমিকের রহস্য মৃত্যু। আটদিন নিখোঁজ থাকার পর রেল লাইনের ধার থেকে উদ্ধার ক্ষত-বিক্ষত দেহ। দুই নাবালক সন্তানকে নিয়ে অথৈ জলে মৃতের স্ত্রী। পাশে দাঁড়ায়নি প্রশাসন জন-প্রতিনিধিরা। শ্রমিক মৃত্যুতে একে অপরকে দোষারোপ তৃণমূল-বিজেপির।
সূত্রের খবর, ভিন রাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকের রহস্য মৃত্যু। আট দিন নিখোঁজ থাকার পর রেল লাইনের ধারের জঙ্গল থেকে উদ্ধার ক্ষত-বিক্ষত দেহ। খুন করা হয়েছে অনুমান পরিবারের। একমাত্র রোজগেরে সদস্যের মৃত্যুতে অথৈ জলে পরিবার। দুই নাবালক সন্তানকে নিয়ে মাথায় হাত অসহায় স্ত্রীর।
পাশে দাড়ায়নি প্রশাসন থেকে জন-প্রতিনিধি। ফের শ্রমিক মৃত্যুতে রাজ্যের কর্মসংস্থান নিয়ে তৃণমূলকে তোপ বিজেপির।পাল্টা বিজেপিকে কাঠগড়ায় তুলছে তৃণমূল। রাজনৈতিক এই তরজায় অনিশ্চিত মৃত শ্রমিকের পরিবারের ভবিষ্যৎ। মৃত শ্রমিকের নাম আলমগীর আলম(২৯)। বাড়ি মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরের মশালদহ বাজারে। এলাকায় কোনও কাজ নেই।তাই পেটের টানে চেন্নাইতে কাজের জন্য গিয়েছিলেন আলমগীর। নয় দিন আগে আরেকটি কাজের জন্য হায়দ্রাবাদ যাওয়ার কথা ছিল তার।
ট্রেনে ওঠার আগে স্ত্রীর সঙ্গে ফোনে কথাও বলেন। কিন্তু তারপর থেকে তার আর কোন খোঁজ নেই। পাওয়া যাচ্ছিল না ফোনেও। আশে পাশে থাকা তার সহকর্মীরা স্থানীয় থানাতেও জানান। আটদিন নিখোঁজ থাকার পর চেন্নাইয়ের যে স্টেশন থেকে হায়দ্রাবাদ যাওয়ার উদ্দেশ্যে তার ট্রেনে ওঠার কথা ছিল তার পরবর্তী স্টেশনের কাছাকাছি রেল লাইনের ধারে জঙ্গল থেকে আলমগীরের ক্ষত-বিক্ষত দেহ উদ্ধার হয়।
খবর আসতেই কান্নায় ভেঙে পড়ে স্ত্রী থেকে শুরু করে পরিবারের লোকেরা। আলমগীরের উপর নির্ভর ছিল সমস্ত সংসার।ছোট ছোট দুই সন্তান রয়েছে। গভীর শোকের মাঝেই অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তায় আলমগীরের স্ত্রী। শুধু তাই নয়, এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত প্রশাসন বা জন-প্রতিনিধিরা কেউ দেখা করেননি বলেও অভিযোগ করেছেন মৃত শ্রমিকের পরিবারের সদস্যরা।
বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূলের কারণে রাজ্যের শ্রমিকদের বাইরে গিয়ে বারবার বিপদে পড়তে হচ্ছে। পাল্টা তৃণমূলের দাবি, একশো দিনের কাজ বন্ধ করে শ্রমিকদের বিপাকে ফেলেছে বিজেপি। এখন বিজেপির মদতে ভিন রাজ্যে বেছে বেছে বাংলার শ্রমিকদের উপর আক্রমণ হচ্ছে।
আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।