হরিয়ানা বিধানসভা নির্বাচনে কোনও দলই সংখ্যাগরীষ্ঠতা পায়নি। বিজেপি প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরীষ্ঠতা না পাওয়ায় মনে করা হয়েছিল কংগ্রেসের নেতৃত্বেই হরিয়ানার পরবর্তী সরকার আসতে চলেছে। আর কিংমেকার হবে দুশ্যন্ত চৌটালার জেজেপি। কিন্তু হরিয়ানায় ফের কুর্সিতে ফিরতে চলেছেন মনোহরলাল খট্টর। সরকার গড়ার সমাধান সূত্র বের করে নিল বিজেপি।

৯০ আসনের হরিয়ানা বিধানসভায় সরকার গড়ার ম্যাজিক সংখ্যা ৪৬। বিজেপি পেয়েছে ৪০টি আসন, কংগ্রেস ৩১ এবং জেজেপি ১০টি। এছাড়া ভারতীয় রাষ্ট্রীয় লোকদল এবং হরিয়ানা লোকহিত পার্টি ১টি করে ও ৭টি আসনে জয়ী হয়েছে নির্দল প্রার্থীরা। অর্থাৎ সরকার গড়তে বিজেপির দরকার ছিল আরও অন্তত ৬ জনের সমর্থন।

আগেই বিজেপিকে সমর্থন দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছিল গোপাল কান্দার হরিয়ানা লোকহিত পার্টি। এরপর সকালে দিল্লিতে বিজেপির কার্যকরী সভাপতি জেপি নাড্ডা-র বাসভবনে আসেন মনোহরলাল খট্টর। তারপরই হরিয়ানার তিন নির্দল বিধায়ক সোমবীর সাঙ্গোয়ান, রাকেশ দৌলতাবাদ ও নয়নপাল রাওয়াত-ও আসেন নাড্ডার বাসভবনে।

এর কিছু পরেই গোপাল কান্দা ঘোষণা করেন হরিয়ানার সাত বিজয়ী নির্দল প্রার্থীই বিজেপিকে সমর্থন করছেন এই সাতজন হলেন রঞ্জিত সিং, সোমবীর সাঙ্গোয়ান, রাকেশ দৌলতাবাদ, বলরাজ কুন্ডু, ধরম পাল গোন্ডার, এবং নয়ন পাল রাওয়াত।

ফলে বিজেপির পক্ষে সমর্থন দাঁড়ালো ৪৮। সূত্রের খবর এদিনই রাজ্যপালের কাছে সরকার গঠনের আবেদন করতে পারেন মনোহরলাল খট্টর। তবে জানা যাচ্ছে তিনি সম্ভবত দীপাবলির উৎসবের পরই মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেবেন।