সচিন তেণ্ডুলকর মাঠে থাকলেই মাঝেমাঝেই দেখা যেত তাঁকে। গ্যালারিতে বসে সচিনের জয়ধ্বনী দিচ্ছেন তারই মতো দেখতে এক ব্যক্তি। কি‌ন্তু প্রধানমন্ত্রীর 'হামসকল'! হ্যাঁ, ভোটের বাজারে দেখা মিলল তাঁরও। 

শুক্রবার লক্ষ্নৌ থেকে স্বাধীন প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন অভিনন্দন পাঠক। চলনেবলনে, হাবেভাবে যেন সাক্ষাৎ মোদীই। আর তার স্লোগান? এক ভোট এক নোট।

শুক্রবার অবশ্য তাঁকে এই স্লোগানের জন্য তাঁর হাতে নোটিশ ধরিয়ে দিয়েছে কমিশন।  সংবাদসংস্থাকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কুশলরাজ শর্মা জানিয়েছেন. ''এই ধরনের স্লোগান নির্বাচনী বিধি লঙ্ঘন। লোকজনকে ভ্রান্ত পথে চালিত করে এই ধরনের স্লোগান।" 

আপাতত কমিশনের বিধি অনুযায়ী, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নোটিশের জবাব দিতে হবে অভিনন্দন পাঠককে। না হলে তাঁর নামে দায়ের করা হবে এফআইআর।

তবে এসবে মোটেও ডরাচ্ছেন না অভিনন্দন। তাঁর মতে আপাতত রাজনাথ সিংহকে টার্গেট করেছেন তিনি। এর পরে তাঁর লক্ষ্য স্বংয় নরেন্দ্র মোদী। অর্থাৎ আরও একটি মনোনয়ন দিতে চাইছেন তিনি। ডেস্টিনেশন বারানসী। হ্যাঁ সব ঠিক থাকলে আগামী ২৬ এপ্রিল বারানসী থেকে মনোনয়ন জমা দেবেন তিনি। এই অভিনন্দনকেই বিজেপির হয়ে গোরক্ষপুরে উপনির্বাচনে প্রচার করতে দেখা গিয়েছিল গত বছর। সেই আসনে বিজেপির পরাজয় হয় সমাজবাদী পার্টির নেতা প্রবীণ নিষাদের হাতে।

নিজেকে ডামি নয় একজন সক্রিয় জনপ্রতিনিধি হিসেবে দেখতে চান অভিনন্দন। সংবাদসংস্থাকে তিনি জানাচ্ছেন, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মোদীর চেয়ে রাহুল গাঁধীকে যোগ্যতম মনে করেন তিনি। 

সাহারানপুরের বাসিন্দা অভিনন্দন পাঠক কংগ্রেসে যোগদান করেন গত মাসেই। কিন্তু তাঁর মন রাখেনি কংগ্রেস। মেলেনি টিকিট। তৈাই স্বাধীন ভাবেই ভোটে লড়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।   সবচেয়ে আশ্চর্যের কথা তিনি বক্তব্য রাখার সময়ে সেই চিরাচ‌রিত ‌ঢঙেই প্রথমে বলেন, মিত্রোঁ। অভিনন্দনের ভোটভাগ্য কেমন, জানতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষমান গোটা দেশ।