বিয়ে হল একটি সামাজিক বন্ধন যাতে দুটি মানুষ পরস্পর পরস্পরের প্রতি দায়বদ্ধ থাকে। বাংলার আগামী মাস অগ্রহায়ণ মাস। অগ্রহায়ণ বা অঘ্রান বাংলা সনের অষ্টম এবং শকাব্দের নবম মাস। প্রাচীন বাংলা ভাষায় এই মাসটিকে আঘন নামে চিহ্নিত করা হত। বিভিন্ন দেশে সংস্কৃতিভেদে বিবাহের সংজ্ঞার তারতম্য থাকলেও সাধারণ ভাবে বিবাহ এমন একটি রীতি যার মাধ্যমে দু'জন মানুষের মধ্যে সম্পর্ক ও সামাজিক স্বীকৃতি লাভ করে। 

আরও পড়ুন- চটজলদি বিয়ের প্রস্তুতি নিতে হচ্ছে, এক নজরে দেখে নিন অগ্রহায়ণ মাসের বিয়ের তারিখগুলি

উচ্চবর্ণীয় হিন্দু সমাজের বিবাহে প্রধানত দুইটি আচারগত বিভাগ লক্ষিত হয়। যথা, বৈদিক ও লৌকিক। লৌকিক আচারগুলি "স্ত্রী আচার" নামে পরিচিত। বৈদিক আচারগুলির মধ্যে অবশ্য পালনীয় প্রথাগুলি হল কুশণ্ডিকা, লাজহোম, সপ্তপদী গমন, পাণিগ্রহণ, ধৃতিহোম ও চতুর্থী হোম। বৈদিক আচারগুলির সঙ্গে লৌকিক আচারগুলির কোনো সম্পর্ক নেই। লৌকিক আচারগুলি অঞ্চল, বর্ণ বা উপবর্ণভেদে এক এক প্রকার হয়। তবে সনাতন হিন্দু ধর্ম অনুযায়ী, তিন এই রাশির মহিলা সবথেকে বিবাহযোগ্য হন। তাই বিয়ে করলে এই তিন রাশির নারীদেরই বিয়ে করা উচিৎ বলে মনে করছে শাস্ত্র।

আরও পড়ুন- রবিবারে জন্ম ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছে এই বিশেষ গুণগুলি

সিংহ রাশিঃ শাস্ত্র মতে এই রাশির মহিলারা খুব মিশুখে হাসি খুশি স্বভাবের হন। এরা সঙ্গীর প্রতি খুব বিশ্বস্তও হন। এরা সিংহ রাশির জাতকদের জন্যই উপযুক্ত। এরা সংসারের দায় ভার সমানভাবে ভাগ করে নেন। 

কর্কট রাশিঃ মা হিসেবে এই রাশি খুব উপযুক্ত বলে মনে করা হয়। এরা সঙ্গীর জন্য নিজের স্বার্থ বিনা দ্বিধায় ত্যাগ করে দেন। এরা অত্যন্ত আবেগপ্রবণ, তাই নিঃস্বার্থ ভাবে ভালোবাসতে জানেন এরা। এরা স্বভাবে খুব শান্ত হয়ে থাকেন। পরিস্থিতি অনুযায়ী মানিয়ে নেওয়ার অসীম ক্ষমতা রয়েছে এদের।

আরও পড়ুন- খুব খারাপ সময়ের যোগ আসতে চলেছে এই রাশিগুলির, সেই তালিকায় আপনি নেই তো

মেষঃ এরা নিজের লক্ষ্যে স্থির থাকেন। এই জাতিকাদের সঙ্গে থেকে এদের সঙ্গীরা দায়িত্বশীল হয়ে ওঠে। সুন্দর করে সমস্ত দিক মানিয়ে গুছিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে এদের। কর্মক্ষেত্রে সঙ্গীকে সমান ভাবে সাহায্য করে থাকেন। এরা অত্যন্ত শক্তিশালী মানসিকতার মহিলা হন।