বাস্তুশাস্ত্র, এই বাস্তু শব্দটি এসেছে বস্তু থেকে। বাস্তু বলতে সব কিছুকেই বুঝায়- তা একটি স্থান হতে পারে- কিংবা একটা বাড়িও হতে পারে। সভ্যতার শুরু থেকেই ভারতীয়  উপমহাদেশে শিল্পচর্চাকে ঊর্ধ্বে স্থান দেয়া হয়েছে। স্থাপত্যশৈলী উপবেদের অন্যতম বিষয়। স্থাপত্য উপবেদ বা স্থাপত্যশাস্ত্র চারটি উপবেদের অন্যতম।  প্রায় ৫০০০ বছর ধরে বাস্তুবিদ্যা কালের বিরুদ্ধে নিরন্তর সংগ্রামে জয়ী হয়েছে। স্থাপত্য উপবেদ বা স্থাপত্য শাস্ত্রের সূত্রগুলো পরবর্তিকালে 'বাস্তুশাস্ত্র' শিরোনামে লিপিবদ্ধ হয়েছে। বৈদিক যুগে স্থাপত্য বিজ্ঞান মূলত মন্দির নির্মাণে ব্যবহৃত হত। পরবর্তীতে তা বিস্তার লাভ করে। প্রাচীন যুগে স্থপতিরা কেবল নিছক তৈরির কাজ করতেন না, নির্মাণশৈলী ও পরিকল্পনার বিষয়টিও তদারক করতে হত তাঁদের। 

আরও পড়ুন- আর্থিক সমস্যা কাটাতে পয়লা পৌষ পালন করুন এই নিয়মগুলি

সেই বাস্তু মতে, পরীক্ষা নিয়ে চিন্তা বা উদ্বেগ থাকাটা স্বাভাবিক বিষয়। তবে সেই চিন্তা বা উদ্বেগ পরীক্ষার কয়েকদিন আগে থেকে নয় বরং বছরের শুরু থেকে থাকলে প্রস্তুতিতে ঘাটতি থাকে না। পরীক্ষা নিয়ে টেনশন কমবেশি প্রায় সমস্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যেই লক্ষ করা যায়। পড়াশুনো করলে পরীক্ষা থাকবেই এই দুটি বিষয় একে অপরের পরিপূরক। সেই কারণেই সকল ছাত্রছাত্রীই পরীক্ষায় ভালো ফল কামনা করে, তবে সকলেই সাফল্য অর্জন করতে পারে না। 

আরও পড়ুন- আগামী বছরে কেমন হবে কন্যা রাশির কর্মজীবন, জেনে নিন

এই সাফল্য অর্জন করতে শিক্ষকরা বা গবেষকরা বিভিন্ন পরামর্শ বা কৌশল প্রয়োগের কথা বলেছেন। কিন্তু ভাল রেজাল্ট বা পরীক্ষায় সাফল্য অর্জনের জন্য বিশেষ কিছু কৌশল জানিয়েছে বাস্তুশাস্ত্র। পড়াশুনোর পাশাপাশি এই নিয়মগুলি মেনে চললে, আপনি সাফল্য লাভ করতে পারবেন সহজেই। একইভাবে এই নিয়মগুলি পড়াশুনোর মনোনিবেশ করতেও সাহায্য করবে। সবার আগে মনে রাখতে হবে পড়তে বসার আগেই ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে পড়তে বসতে হবে। পরীক্ষার ভয় মন থেকে দূর করতে হবে। সঠিকভাবে পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়া থাকলে অযথা চিন্তা বা উদ্বেগ না করাই শ্রেয়। এছাড়া সুন্দর হাতের লেখা, পরিষ্কার খাতা দেখতে শিক্ষকরাও পছন্দ করেন যা বেশি নম্বর পেতে সাহায্য করে।

আরও পড়ুন- তুলা রাশির কতটা উন্নতি হবে এই মাসে, দেখে নিন

রোজ সকালে নিয়মিত ধ্যাণ বা মেডিটেশন মনসংযোগ বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। শিক্ষার্থীরা যদি চারমুখি রুদ্রাক্ষ বা গণেশ রুদ্রাক্ষ ধারণ করে তবে পড়াশুনোয় মনযোগী হয়। বাড়িতে পড়ার ঘর সবসময় উত্তর-পূর্ব কোণে হওয়া প্রয়োজন। বাস্তুমতে এই কোণে পড়াশোনা করলে পরীক্ষার ফল ভালো হয়। অথবা পূর্ব দিকে মুখ করে বসে পড়াশোনা করা ভালো। পড়ার টেবিলে একটি কাঁচের গ্লাসে কয়েকটা পেন্সিল ছূঁচলো করে কেটে নিন। এরপর পেন্সিলের ছূঁচলো মুখটা উপর দিক করে কাঁচের গ্লাসে রেখে দিন। বাস্তুশাস্ত্র মতে এতে ছাত্র-ছাত্রীদের মেধার উন্নতি হয়। পড়ার টেবিলে সবসময় সবুজ রং এর কাপড় পেতে রাখুন, এই রং মনোসংযোগ বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। পড়ার ঘরের একটি দেওয়ালে সরস্বতী যন্ত্রম টাঙিয়ে রাখুন। নিয়মিত সেটিতে ধূপ দেখিয়ে পূজো করুন পড়াশুনোয় উত্সাহ বৃদ্ধি পাবে।