ভৈরব হল একটি সংস্কৃত শব্দ। যার প্রকৃত অর্থ ভয়ঙ্কর। ভৈরব হল মহাদেবের একটি ভয়ঙ্কর রূপ। শিব পুরাণে শিবের এই রূপের বিষয়ে বর্ণণা করা হয়েছে। মনে করা হয় এই দিনে মহাদেব কাল ভৈরব রূপ ধারন করেন। এই দিনে অনেকেই উপোস করেন। মনে করা হয়, এই দিন তন্ত্র সাধনার এক অন্যতম দিন। কৃষ্ণপক্ষের অষ্টমী তিথিতে কাল ভৈরব অষ্টমী হিসেবে পালন করা হয়। মহারাষ্ট্রে ১৯ নভেম্বর মঙ্গলবার পালিত হবে। কেন শিব-কে এই রূপ ধারণ করতে হয়েছিল তা নিয়ে বর্ণিত রয়েছে কয়েকটি ঘটনা।

আরও পড়ুন- অগ্রহায়ণ মাস কেমন প্রভাব ফেলবে কন্যা রাশির উপর, জেনে নিন

অনেকেই আবার মনে করেন, কাল ভৈরব শিবের রুদ্র রূপ। দুষ্ট শক্তির বিনাশ করতে এই দিন ভৈরব রূপ ধারণ করেছিলেন মহাদেব। শিব হলেন হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সর্বোচ্চ দেবতা। সনাতন ধর্মের শাস্ত্রসমূহে তিনি পরমসত্ত্বা রূপে ঘোষিত। শিব সৃষ্টি-স্থিতি-লয়রূপ তিন কারনের কারন, পরমেশ্বর- এটা তার প্রণাম মন্ত্রেই বার বার উঠে এসেছে।

আরও পড়ুন- ঘুম থেকে উঠে প্রথমেই দেখুন হাত, কয়েকটি উপায়ে ফেরান নিজের ভাগ্য

শিব পুরাণ অনুসারে, আদিতে সৃষ্টি কর্তা ব্রহ্মার পাঁচটি মুখ ছিল। একইসঙ্গে শিবও ছিলে পঞ্চানন। তবে ব্রহ্মা অসম্ভব অহঙ্কার প্রকাশ করায় মহাদেব তাঁর একটি মস্তক নষ্ট করে দেন। ফলে ব্রহ্মহত্যার পাপ লাগায় দীর্ঘ সময় ধরে শিব-কে ঘুরে বেড়াতে হয় পাপ খণ্ডনের জন্য। শিবের এই রূপই ভৈরব রূপে পূজিত হয়। তাই মনে করা হয় শিবের এই রূপের পুজো করলে অশুভ শক্তি দূরে সরে জীবনে ফিরে আসে সুখ ও সমৃদ্ধি। কাল ভৈরবের বাহন হল কুকুর। তাই মনে করা হয় এই দিনে কুকুরকে খাওয়ানো অত্যন্ত শুভ।