সুপারির জন্ম মতান্তরে ফিলিপাইন বা মালয়েশিয়ায়। ভারত, শ্রীলংকা, মায়ানমার, পাকিস্তান, নেপাল, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, চীন, প্রভৃতি দেশে সুপারি চাষ করা হয়। বর্ষাকালে বীজ পুঁতে সুপারির চারা তৈরি করা হয়। লোনা নয় এরকম মাটিতে এক বছর বয়সী চারা ৩ মিটার দূরে দূরে গর্ত করে লাগালেই সুপারি বাগান দাঁড়িয়ে যায়। অন্য গাছপালার মধ্যে বা ছায়া জায়গায় লাগালে সুপারি গাছ ভাল হয়। প্রখর রোদ সুপারি গাছ সইতে পারে না। চারা লাগানোর পর ৬-৭ বছরের মধ্যেই ফল ধরা শুরু করে। তবে বেশি ফল ধরে ১০-১২ বছরের পর থেকে। স্থানভেদে বছরের নভেম্বর-মার্চ পর্যন্ত সুপারি সংগ্রহ চলে।

আরও পড়ুন- ডিসেম্বর মাসে জন্ম, তবে আপনার মধ্যে এই রয়েছে এই বিশেষ গুণগুলি

জ্য়োতিষশাস্ত্র মতে, এই সুপারি আপনার দুর্ভাগ্যকে সৌভাগ্যে পরিণত করতে পারে। এর পাশাপাশি সম্পদ বৃদ্ধি ও মানসিক শান্তি পূরণেও সাহায্য করে পুজোয় ব্যবহার করা সুপারি। তবে চলুন জেনে নেওয়া যাক কীভাবে পুজোয় ব্যবহৃত সুপারি ব্যবহার করবেন নিজের সৌভাগ্য পরিবর্তনের জন্য। একটি সবুজ কাপড়ে সুপারি, সামান্য আতপ চাল ও কাঁচি হলুদ একসঙ্গে বেঁধে নিন। ব্যবসার স্থানে বা কর্মক্ষেত্রে এটি অন্যের চোখের আড়ালে রেখে দিন। এতে আগত বাধা বিপত্তি কেটে যায়।

আরও পড়ুন- ভাগ্য ফেরাতে মেনে চলুন বাস্তুর এই টোটকা, ফল পান হাতে নাতে

বৃহস্পতিবার লক্ষী দেবীর পুজোয় ব্যবহৃত সুপারিতে সিঁদুরের ফোঁটা দিয়ে, সেটি যেখানে টাকা পয়সা রাখেন সেই স্থানে রেখে দিন। এতে মা লক্ষ্মীর কৃপায় সর্বদা আর্থিক উন্নতি বৃদ্ধি পায়। পাশাপাশি আর্থিক সমস্যা থাকলে তা কেটেও যায়। গণেশের ছবি রয়েছে এমন একটি রুপোর কয়েন ও পুজোয় ব্যবহৃত সুপারি একসঙ্গে রেখে সিদ্ধিদাতার পুজো করুন। এতে শুভ ফল পাবেন হাতেনাতে। এছাড়া একটি সাদা কাপড়ে সিঁদুর দিয়ে স্বস্তিক চিহ্ন এঁকে এতে সুপারি, সামান্য আতপ চাল, কাঁচি হলুদ একসঙ্গে বেঁধে নিন। এবারে এটি বাড়ির মূল প্রবেশদ্বারে একটু উঁচুতেই ঝুলিয়ে রাখুন। তবে এমনভাবেই টাঙাতে হবে যাতে সেখানে সহজে কারও হাত না লাগে। এতে সংসারের সার্বিক উন্নতি হয় ও সংসারের সুখ-সমৃদ্ধি বজায় থাকে।