জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, সূর্যের মহাদশা বা রবির স্থান উন্নত করতে এই তামার আংটি ধারণ করার পরামর্শ দেন জ্যোতিষীরা। এই আংটি ধারণ করলে কর্মক্ষেত্রে বাঁধা কাটিয়ে ওঠা যায় সহজেই। একইসঙ্গে কাজে আগ্রহ বৃদ্ধিতে সহায়তা এই ধাতুর আংটি। মনে করা হয় এই আংটি ধারণ করলে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে শরীরে ও মনে। সেই কারণে যে কোনও বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রেও সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার ক্ষমতা বৃদ্ধি হয়, বলে মনে করা হয়।  প্রাচীনকালে তামার অনেক খনির অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, এই ধাতুই আপনার বহু সমস্যার সমাধান করতে সক্ষম। 

আরও পড়ুন- এপ্রিল মাস কেমন কাটবে মেষ রাশির, দেখে নিন

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন শরীরের ইমিউনিটি পাওয়ার অর্থাৎ রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে তামার আংটি। এই সমস্ত সমস্যা কাটিয়ে উঠতে বেছে নিতে হবে একটি সঠিক তামার আংটি। তাহলেই সমাধান হবে এই সমস্যাগুলির। এছাড়া কোনও ব্যক্তির রাগ বা ক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে একটি তামার আংটি। এমনকি উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা থাকলে এই ধাতুর সাহায্যে তা সমাধান করা বশে আনা সম্ভব। একইসঙ্গে বিভিন্ন সংক্রমক থেকেও রক্ষা করে এই ধাতু। 

আরও পড়ুন- ধনু রাশির আজ প্রতারিত হওয়ার যোগ রয়েছে, দেখে নিন আপনার রাশিফল

তামা, ইংরাজি নাম কপার একটি রাসায়নিক মৌল এর পারমাণবিক ক্রমাঙ্ক ২৯। তামা একটি নমনীয় ধাতু এবং এর তাপীয় ও বৈদ্যুতিক পরিবহন ক্ষমতা খুব উন্নত তাই অনেক বিজলিবাহী তারের মধ্যেই তামার তার থাকে। বিশুদ্ধ তামা খুব বেশি নরম ও নিজস্ব উজ্জ্বল বর্ণের হয় কিন্তু আবহাওয়ার সংস্পর্শে এর বাইরে একটি লালচে-কমলা বিবর্ণ স্তর তৈরী হয়। তামা ও তামার বহু মিশ্র ধাতু কয়েক হাজার বছর ধরে মানুষের নিত্য সঙ্গী ।