সোমবার ৯ মার্চ মঙ্গলবার এবং ১০ মার্চ দোল ও পরদিন হোলি উৎসব পালিত হবে। সেই মতন রবিবার ও সোমবার হবে হোলিকা দহন বা ন্যাড়াপোড়া। তবে, এই বছরটিতে দোলের এই বিশেষ তিথি বা যোগ যা ৪৯৯ বছর পরে তৈরি হয়েছে। পয়লা মার্চ থেকে ৯ মার্চের আগে অবধি অর্থাৎ পূর্ণিমা শুরুর আগে অবধি সময়কে বলা হয় হোলাষ্টক। হোলাষ্টকের সময় শুভ কাজ করলে তা অশুভ ফল দেয়। 

আরও পড়ুন- আপনার অর্থভাগ্য কেমন থাকবে, জানাবে আপনার ওয়ালেট-এর রঙ

আরও পড়ুন- এই মাস কেমন প্রভাব ফেলবে মকর রাশির উপর, দেখে নিন

পুরাণ মতে,  হিরণ্যকশ্যপ হোলির আট দিন আগে তাঁর পুত্র বিষ্ণু ভক্ত প্রহ্লাদকে হত্যা করার চেষ্টা করেছিলেন। তারপর তাঁর পরিনাম কি হয়েছিল তা আমাদের সকলের জানা। তাই এই সময় ঘিরে বহু প্রচলিত রীতিনিতি রয়েছে, যেমন এই সময়ে কী করবেন না। ধর্মীয় গ্রন্থ অনুসারে, হোলাষ্টকের সময় ১৬ টি আচার অনুষ্ঠান করা উচিত নয়। যেমন, যজ্ঞ, মাঙ্গলিক অনুষ্ঠান ইত্যাদির মতো ধর্মীয় অনুষ্ঠানও পালন করা উচিত নয়। এমনকি জমি কেনা-বেচা, বা ভিত পুজো এই ধরনের সম্পর্কিত শুভ কাজও হোলাষ্টকের সময় করা উচিত নয়। 

আরও পড়ুন- রবিবারের সারাদিন কেমন কাটবে আপনার, দেখে নিন রাশিফল

হোলাষ্টকে কী করবেন - হোলাষ্টক চলাকালীন সময়ে ইষ্টদেবের পুজো করুন। দুঃস্থদের কাপড় ইত্যাদি দান করুন। জ্যোতিষশাস্ত্রে হোলাষ্টকের গুরুত্ব জ্যোতিষ অনুসারে ফাল্গুন শুক্লা অষ্টমী থেকে পূর্ণিমা অবধি গ্রহগুলির অবস্থানের উপর নির্ভর করে। ফাল্গুন শুক্লা অষ্টমীর চাঁদে, নবমীতে সূর্য, দশমীর শনি, একাদশীর শুক্র, দ্বাদশীতে গুরু, ত্রয়োদশীতে বুধ এবং চতুর্দশীতে মঙ্গল ও রাহু পূর্ণ চাঁদে বাস করেন। এগুলি মানুষের জীবনে সরাসরি প্রভাব ফেলে। সুতরাং এই সময়ে কোনও শুভ কাজ না করাই ভালো বলে মনে করা হয়।