৫৫৮ বছর আগে ১৪৬২ সালে তৈরি হয়েছিল এই যোগ। শ্রাবণ মাস শুরুর আগে ও আষাঢ় মাসের শেষের দিকে বৃহস্পতি, শনি, রাহু এবং কেতুর এক সঙ্গে প্রত্যাবর্তন করবে। চন্দ্রগ্রহণের পর সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে এই যোগ। বাংলা ক্যানেল্ডার অনুযায়ী শ্রাবণ মাস শুরুর সঙ্গে সঙ্গে এই কাকতালীয় যোগের বৃহস্পতিত্ব আরও প্রবল হবে। এই যোগের সরাসরি প্রভাব পড়বে বেশ কয়েকটি রাশির উপর। শ্রাবণ দক্ষিণ ভারত, মহারাষ্ট্র এবং গুজরাটে ২১ জুলাই থেকে শুরু হবে এবং ১৯ আগস্টে শেষ হবে। উত্তর ভারতের কিছু অংশে শ্রাবণ থাকবে ৬ জুলাই থেকে ৩ আগস্ট পর্যন্ত।

জ্যোতিশাস্ত্র অনুসারে, বৃহস্পতি, শনি, রাহু-কেতু এক সঙ্গে ছিল ১৪৬২ সালে। ৫৫৮ বছর পর আবার এই বছর অর্থাৎ ২০২০ সালে তৈরি হল এই যোগ। এতদিন ধনু রাশিতে ছিল বৃহস্পতি, শনি ছিল মকর রাশিতে প্রতিক্রিয়াশীল, রাহু ছিল মিথুন রাশিতে এবং কেতু ছিল ধনু রাশিতে। ১৪৬২ সালে ২১ জুন থেকে ২০ জুলাই পর্যন্ত ছিল এই যোগ। এত বছর পর আবার কাকতালীয়ভাবে সেই একই যোগ তৈরি হচ্ছে শ্রাবণ মাসেই। শ্রাবণ মাসেই এই যোগ রাশিচক্রের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলবে। এর ফলে কিছু রাশির যেমন শুভফল পাবে আবার পাশাপাশি বেশ কিছু রাশিকে চরম সমস্যার মুখে পড়তে হতে পারে।

শ্রাবণ মাসের গুরুত্বপূর্ণ ও শুভ তারিখগুলো হল

গণেশ চতুর্থী ৪ জুলাই, কমিকা একাদশী ১৬ জুলাই, হরিয়ালি অমাবস্যা ২০ জুলাই, হরিয়ালি তীজ ২৩ জুলাই, বিনায়াকী চতুর্থী ২৪ জুলাই, নাগ পঞ্চমী ২৫ জুলাই, পুত্রদা একাদশী ৩০ জুলাই এবং রাখী উৎসব ৩ অগাস্ট যোগ রয়েছে। এছাড়া পুরো শ্রাবণ মাস ধরে চলে দেবাদিদেব মহাদেবের উপাসনা। এই মাসে তিজে দেবী পার্বতী, চতুর্থীতে গণেশ, পঞ্চমীতে নাগদেবতা, একাদশীতে বিষ্ণু, অমাবসায় পিতৃ দেবতা এবং পূর্ণিমায় চন্দ্র দেব-এর ব্রত পালন করলে জীবনের সমস্ত খারাপ সময় বা দোষ কাটিয়ে ওঠা যায় বলে মনে করা হয়।