হিন্দু ধর্মতত্ত্বে চারটি নবরাত্রির উল্লেখ রয়েছে। চৈত্র নবরাত্রি এবং শারদীয়া নবরাত্রি ছাড়াও দুটি গুপ্ত নবরাত্রিও বছরে পালিত হয়। প্রথম গুপ্ত নবরত্রি মাঘ মাসের শুক্ল পক্ষ এবং দ্বিতীয় আষা আষাঢ় মাসের শুক্লপক্ষে উদযাপিত হয়। এই আষাঢ় মাসের গুপ্ত নবরাত্রি পালিত হচ্ছে ২২ জুন থেকে চলবে ২৯ জুন পর্যন্ত। এ সময় মা শক্তি অর্থাৎ বিপদতারিনীর পুজো করা হয় এবং মা লক্ষ্মীর আরাধনা করা হয়। বাস্তু মতে, এই সময় অর্থাৎ গুপ্ত নবরাত্রির সময় দেবী লক্ষ্মী ও বিপদতারিনীর পুজোর সঙ্গে সম্পর্কিত এই পাঁচটি জিনিস ঘরে আনা হলে দেবী সন্তুষ্ট হন এবং দেবী পরিবারের প্রতি বিশেষ কৃপাদৃষ্টি বজায় রাখে। এর ফলে পরিবারের সদস্যদের সম্পদ লাভের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়। গুপ্ত নবরাত্রির এই সময় হল মনের ইচ্ছা পূরণের সময়। তাই এই সময় এই ৫ টি জিনিস বাড়িতে হবে টাকার বৃষ্টি।

পদ্ম ফুল-  দেবীর অত্যন্ত প্রিয় পদ্ম ফুল। বিপদতারিনীর পুজোর দিনে যদি কোনও পদ্ম ফুল বা এর সঙ্গে সম্পর্কিত কোনও ছবি ঘরে রাখা হয়, তবে দেবীর কৃপা পরিবারের উপর বজায় থাকে। এই সময়ে মা লক্ষ্মীর পুজোয় পদ্ম ফুল দিয়ে পান মায়ের কৃপাদৃষ্টি।

সোনা বা রূপো - এই সময় বাড়িতে রৌপ্য বা স্বর্ণ মুদ্রা আনা খুব শুভ বলে বিবেচনা করা হয়। দেবী লক্ষ্মী বা ভগবান গণেশের শ্রী চিত্র যদি মুদ্রায় লিপিবদ্ধ থাকে তবে তা আরও শুভ হয়ে ওঠে। রৌপ্য বা সোনার মুদ্রাগুলিও দেবী লক্ষ্মীর প্রতীক হিসাবে বিবেচিত হয়। 

মা লক্ষ্মী ছবি-  মহালক্ষী দেবী পদ্মে বসে পাশে রয়েছে সম্পদের ভান্ডার। মা লক্ষ্মী এই ধরনের একটি ছবি এই সময় বাড়িতে নিয়ে আসা খুব শুভ। এছাড়াও,মা লক্ষীর  হাত থেকে অর্থ বৃষ্টি হচ্ছে। মা লক্ষ্মীর এমন ছবি বা প্রতিমা বিশেষ ভাবে প্রভাব ফেলে আর্থিক দিকে। এই ছবি বস্তুর দিক থেকেও খুব শুভ বলে বিবেচিত হয়।

ময়ুর পালক - বিপদতারিনীর পুজোর দিনে ঘরে ময়ূর পালক এনে বাড়িতে রাখার অনেক সুবিধা রয়েছে। ময়ূরের পালককে ঈশ্বরের অংশ হিসাবে বিবেচনা করা হয়। অন্যদিকে মা লক্ষ্মীর অন্যতম বাহক হলেন ময়ূরও। নবরাত্রির সময় ঘরে ময়ূর পালক আনার ফলে মা লক্ষ্মীর কৃপাদৃষ্টি বজায় থাকে এবং সুখ ও সমৃদ্ধিও বৃদ্ধি পায়। 

ষোলটি সাজসজ্জ্বার জিনিস- বিপদতারিনীর পুজোর সময় দেবীর জন্য বাড়িতে ষোলটি মেকআপ আইটেম নিয়ে আসুন। দেবীর পুজো দিয়ে এই ষোলটি সাজসজ্জ্বার জিনিস দান করুন। বিপদতারিনীর পুজোতে এই নিয়ম পালন করলে দেবীর কৃপা সর্বদা বাড়িতে থাকে। ষোলটি সাজসজ্জ্বার জিনিস সম্পদ এবং বৃদ্ধির প্রতীক হিসাবে বিবেচনা করা হয়।