৪ এপ্রিল শনিবার চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষের একাদশী। এই একাদশী কামদা একাদশী নামে পরিচিত। এই দিনটিতে ভগবান বিষ্ণুর উপাসনা ও উপবাসের রীতি উল্লেখিত রয়েছে। এই তিথিতে ভগবান বিষ্ণু ও তাঁর অবতার রূপের উপাসনা করলে ঈশ্বরের কৃপাদৃষ্টি সর্বদা বজায় থাকে। একাদশীতে শ্রীহরির সঙ্গে তুলসীর পুজো করার রীতিও প্রচলিত রয়েছে। ভগবান কৃষ্ণকে ভোগ দেওয়ার সময় তার উপর তুলসী পাতা রাখার নিয়ম রয়েছে।

গঙ্গা নদীর মতো হিন্দু সম্প্রদায়ের কাছে তুলসী গাছ অত্যন্ত পবিত্র। এই গাছকে ঈশ্বর রূপে পুজো করেন সকলে। প্রতিটি হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িতে এই গাছের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। শাস্ত্রমতে, প্রতিদিন সকালে ও সন্ধ্যায় তুলসী গাছের সামনে পুজো করা গৃহস্থের পক্ষে অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়। তাই তুলসী মঞ্চে ও তুলসী গাছের সামনে প্রদীপ জ্বালানোর রীতি প্রচলিত রয়েছে। তাই জীবনে সুখ ও সমৃদ্ধি লাভ করতে এদিনে তুলসী পুজোর সময় মেনে চলুন এই রীতিগুলি।

আরও পড়ুন- এই মাস কেমন প্রভাব ফেলবে মীন রাশির উপর, দেখে নিন

এদিনে একাদশীর সন্ধ্যায় তুলসী প্রদীপ জ্বালিয়ে মন্ত্র জপ করা উচিত। মনে রাখবেন যে তুলসী গাছে সূর্যাস্তের পরে জল উত্সর্গ করা উচিত নয় এবং স্পর্শ করা উচিত নয়। তুলসী পূজা করার সময় আপনার তুলসী শতনাম মন্ত্র জপ করা উচিত। সকাল বেলা সূর্য উদয়ের পরে স্নান সেরে শুদ্ধ বস্ত্র পরিধান করুন। তার পরে তুলসীর পুজো করুন। তুলসীর গন্ধ, ফুল, লাল চেলি নিবেদন করুন। একটি ঘি এর প্রদীপ জ্বালান। তুলসীর সামনে বসে তুলসীর মালা দিয়ে এই মন্ত্র ১০৮ বার পজ করুন।

আরও পড়ুন- মিথুন রাশির কর্মক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দিতে পারে, দেখে নিন আপনার রাশি কী বলছে

তুলসীর মালা নিয়ে তুলসীর কাছে বসে গায়ত্রী মন্ত্রও পাঠ করা যায়। মন্ত্রটি কমপক্ষে ১০৮ বার জপ করা উচিত।
"আন শ্রী তুলসাই বিদমেহে। বিষ্ণু প্রিয়য়ে ধেমহি। তন্নো বৃন্দা প্রচোদায়াত।"