আষাঢ় বাংলা সনের তৃতীয় মাস। ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শকাব্দের চতুর্থ মাস। এটি বর্ষা মৌসুমে অন্তর্ভুক্ত দুই মাসের প্রথম মাস। আষাঢ় নামটি এসেছে পূর্বাষাঢ়া নক্ষত্র ও উত্তরাষাঢ়া নক্ষত্রে সূর্যের অবস্থান থেকে। পাশাপাশি রাশিচক্রের প্রথম রাশি মেষ। এই রাশির অধিকর্তা গ্রহ মঙ্গল। এই রাশির জাতক-জাতিকারা একটু চঞ্চল প্রকৃতির হয়ে থাকে। পরিস্থিতি প্রতিকূল হলে এরা উগ্রও হয়ে যায়। এরা কায়িক পরিশ্রমের থেকে কূটনৈতিক বুদ্ধি সবথেকে বেশি। এরা খুব তোষামোদ প্রিয় মানুষ। এরা অত্যন্ত বন্ধুবৎসল। এরা যে কোনও বিষয়ে নেতৃত্ব করতে খুব পছন্দ করেন। তবে এদের নেতৃত্ব পছন্দ কেউ অস্বীকার করলে এরা তা মেনে নিতে পারে না। যে কোনও পরিস্থিতি এদের মনের মতো হবে এটাই এদের আশা থাকে। তবে জেনে নেওয়া যাক আগ্রহায়ণ মাস মেষ রাশির উপর কেমন প্রভাব ফেলবে-

আষাঢ় মাসে মেষ রাশির ব্যবসার উন্নতির যোগ রয়েছে। গুরুজনের সাহায্যে বিপদ থেকে উদ্ধার হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। বিবাহিত জীবনে অশান্তির আশঙ্কা রয়েছে। বেকারদের কোনও নতুন কাজের সুযোগ মিলতে পারে। কর্মস্থানে কাজের দায়িত্ব বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বাড়তি আয় করার জন্য বিপদে পড়তে হতে পারে। জমি বাড়ি ক্রয় বিক্রয়ের জন্য আইনি ব্যবস্থা নিতে হতে পারে। বাড়িতে অতিথি আসার জন্য খরচ বৃদ্ধি পাবে। মনের মানুষের থেকে খারাপ ব্যবহারের জন্য মানসিক কষ্ট পেতে হতে পারে।

জাতকের জন্মসময়, তারিখ এবং জন্মস্থানের ভিত্তিতে, জন্মকালে মহাকাশে গ্রহের অবস্থান নিরুপণ করে অথবা প্রশ্নের সময় গ্রহাদির অবস্থান নির্ণয় করে, অথবা হস্তরেখাবিচার, শরীরের চিহ্নবিচার ইত্যাদি বিভিন্ন পদ্ধতির ব্যবহারে প্রশ্নকর্তার ভবিষ্যতের গতিপ্রকৃতি নির্ধারণ করার জ্ঞান ও পদ্ধতিকে জ্যোতিষশাস্ত্র বলা হয়। আবার জ্যোতিষশাস্ত্রের একটি বিভাগ দেশ, রাজ্য, শহর, গ্রাম ইত্যাদির এবং প্রাকৃতিক ঘটনাবলীর যেমন বৃষ্টি, অতিবৃষ্টি, অনাবৃষ্টি, ভূমিকম্প, ঝড়, ঝঞ্ঝা, মহামারী বা প্লাবণের ভবিষ্যদ্বাণী করতেও ব্যবহৃত হয়।