জ্যোতিষশাস্ত্র বলছে সঠিক নিয়মে গ্রহ-নক্ষত্র অনুযায়ী রত্ন ধারণ করলে ফিরতে পারে আপনার ভাগ্যও৷ তবে এই রত্ন ধারণের বিষয়ে নির্দিষ্ট কিছু সময় এবং নিয়ম মেনে চলা জরুরি। আমাদের প্রত্যেকের জীবনে কিছু না কিছু সমস্যা রয়েছে। জীবনের এই সমস্যাগুলোকে সহজেই কাটিয়ে ওঠার জন্য জ্যোতিষীরা নানান রত্ন ধারণের পরামর্শ দেন। 

রত্ন ধারণে সমস্যা কাটিয়ে ওঠা গেলেও অনেকের পক্ষেই সব সময় রত্ন ধারণ সম্ভব হয় না। একইসঙ্গে গ্রহ প্রতিকারের জন্য প্রয়োজন প্রচুর পরিমান অর্থের, যা সকলের পক্ষে ব্যবস্থা করা সম্ভব হয়ে ওঠে না। এই সমস্ত কিছু ছাড়া এমন কিছু নিয়ম আছে যাতে সহজেই আপনি ঘরোয়া কিছু উপকরণ দিয়েই চাল ও ডালের ব্যবহার করেই সমস্ত বাধা কাটিয়ে উঠতে পারবেন। 

জ্যোতিষ শাস্ত্রে বিশ্বাস করা হয়, দান করলে অনেক সমস্যা থেকেই মুক্তি পাওয়া যায়। জ্যোতিষ মতে, গ্রহের সঙ্গে সম্পর্কিত কিছু জিনিস দান করলে গ্রহদোষ কাটানো সম্ভব হয়। গ্রহদোষ কাটানোর অন্যতম উপায় হিসেবে কয়েকটি শস্যদানা পাখিদের খাওয়ানোর কথা বলা হয়েছে। মনে করা হয়, পাখিদের শস্যদানা খাওয়ালে গ্রহ শান্ত হয়। রাহু-কেতুর দোষ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য পাখিদের বাজরা দানা খাওয়াতে পারেন। 

পাখিদের গম খাওয়ালে সূর্য এবং মঙ্গলের অশুভ প্রভাব কেটে যায়। শনির দোষ কাটাতে বিউলির ডাল এবং কালো তিল পাখিদের খাওয়াতে পারেন। চন্দ্র এবং শুক্রের সঙ্গে যুক্ত দোষ কাটানোর জন্য পাখিদের চাল খাওয়ানো উচিত। বৃহস্পতির গ্রহ দোষ কাটাতে পাখিদের ছোলার ডাল খাওয়ান। গোটা মুগ বা তড়কার ডাল পাখিদের খাওয়ালে বুধের অশুভ প্রভাব কেটে যায়।